ঢাকা ০৬:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

আগের পর্ষদের পদোন্নতি দুর্নীতি বিচারের দাবীতে অগ্রণী ব্যাংকে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের মেয়াদে অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পদোন্নতিতে দুর্নীতি করছে। সরকার পরিবর্তন হলেও দুর্নীতির মাধ্যমে পদোন্নতি প্রাপ্তরা বিশেষ করে বিগত সরকারের আমলে ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তাকারী ডিএমডি-জিএমরা এখনো স্ব-পদে বহাল রয়েছেন। এমনকি তারা ঋণগুলো নবায়ন ও আদায়ের ক্ষেত্রেও অনৈতিক সুবিধা বাগিয়ে নিচ্ছেন। এসব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বাতিল ও দায়িত্বচ্যুত করার দাবিতে ব্যাংকটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সোমবার নতুন পরিচালনা পর্ষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন । দাবি আদায়ে তারা সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পর্ষদ কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে জানার জন্য অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবু নাসের বখতিয়ার এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলামের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পরে দেশের পুলিশ, সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে স্বৈরাচারের সরাসরি সহযোগীদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। অথচ যে ব্যাংক ও আর্থিক সেক্টরের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকার টাকা পাচার করে দেশকে পঙ্গু করে দিয়েছে সেই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিশেষ করে সরকারি ব্যাংকগুলো হতে শুধুমাত্র চেয়ারম্যান এবং এমডিদের বিদায় দেওয়া হয়। কিন্তু স্বৈরাচারের এইসব চেয়ারম্যান-এমডিদের অনিয়ম, জালিয়াতি এবং অর্থপাচারের সরাসরি সহযোগী ডিএমডি-জিএম এবং কিছু কিছু ডিজিএমরা এখনো বহালতবিয়তে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কেউ কেউ এই সুযোগে নিজেদের রং বদলাতে যা যা করার প্রয়োজন তাই করে যাচ্ছেন।

তারা জানান, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু নাসের বখতিয়ার স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে তার যাত্রা শুরু করেন এবং এখনো সেভাবেই চলছেন। তিনি গত স্বৈরাচার সরকারের সব থেকে সহযোগী নির্বাহী (ডিএমডি-৪) আবুল বাসার, জিএম শামীম রেজা (বঙ্গবন্ধু কর্ণারের রূপকার), জিএম সামছুল আলম, প্রধান শাখার জিএম আফজাল, জিএম ফজলুল হক (সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার), জিএম আবু বকর সিদ্দিকী এবং জিএম আবু হাসান তালুকদার দের স্ব স্ব পদে বহাল রেখেছেন এবং তাদের পরামর্শেই ব্যাংক চালাচ্ছেন।

ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেছেন কর্মকর্তারা।
ব্যাংক কোং আইন-১৯৯১ এবং বিআরপিডি সার্কুলার- ১১ (ধারা ৪.৩/ক) ও ০২ (ধারা ১০.২/খ) তারিখ যথাক্রমে ২৭ অক্টোবর, ২০১৩ ও ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ এর নির্দেশনা লঙ্ঘন করে এমডিকে অকার্যকর রেখে ব্যাংকের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্দেশ দিচ্ছেন, যা বেআইনী।

ব্যাংক কোং আইন-১৯৯১ এবং বিআরপিডি সার্কুলার-১১ এর ৪.১(ঘ) এর (অ) ধারা ধারা লঙ্ঘন করে তিনি অতিরিক্ত আরেকটি গাড়ি সার্বক্ষণিক ব্যবহার করছেন। শুধু তাই নয়, ব্যাংকের অনেক গাড়িচালক বসে বসে বেতন নিলেও তিনি সরকারি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি লঙ্ঘন করে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি চালকের বেতন-ভাতা ব্যাংক থেকে প্রদান করছেন জোর জবরদস্তির মাধ্যমে, যা একটা বড় অনিয়ম এবং নৈতিকতা পরিপন্থী কাজ।

তিনি ব্যাংকে যোগদানের পরেই ব্যাংক কোং আইন এবং বিআরপিডি সার্কুলার -১১ ও ০২ লঙ্ঘন করে অফিস নির্দেশ জারি করে ব্যাংকের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সকল দায়িত্ব ব্যাংকের ডিএমডি-১ হতে ডিএমডি-৪ এর উপর স্থানান্তর করেন- যা একটি প্রশাসনিক অনিয়ম। চেয়ারম্যান যোগদানের দিনেই স্বৈরাচারের সহযোগীরা তাকে দিয়ে এই কাজটি করে নিয়েছেন। কারণ ডিএমডি-৪ নিজেও সাবেক স্বৈরাচারের সব থেকে বড় দোসরদের একজন।

ব্যাংক কোং আইন এবং বিআরপিডি সার্কুলার-১১ এর ৪.৩ (ক) ও বিআরপিডি সার্কুলার -০২ এর ১০.১(ঘ) এর বিধান লঙ্ঘন করে যোগদানের পর পরই তিনি ব্যাংকের এজিএম পদোন্নতি বোর্ডের প্রধান হন এবং নীতিবর্হিভূত প্রভাব খাটিয়ে স্বৈরাচারের দোসর ডিএমডি-৪ আবুল বাসারের মাধ্যমে বিতর্কিত, অসৎ এবং অযোগ্যদের পদোন্নতি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাংক কোং আইনের ১৮(১১) এবং বিআরপিডি সার্কুলার-১১ ও সব শেষ প্রধান উপদেষ্টার গাড়ি ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন করে বর্তমান চেয়ারম্যান পূর্বের স্বৈরাচারী সময়ের চেয়ারম্যানের মতোতই ব্যাংক পরিচালকদের গাড়ি ব্যবহারের অনুমতি এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মবর্হিভূতভাবে সার্বক্ষণিক ব্যাংকের গাড়ি প্রদান করে লাখ লাখ টাকার অপচয় করছেন।

স্বৈরাচার সরকারের সময়ের মতোই সকল নিয়মাচার লঙ্ঘন করে ব্যাংকের ডিএমডিরা সার্বক্ষণিক এবং জিএমরা মাঝে মাঝেই গাড়ি ব্যবহার করে ব্যাংকের টাকা অপচয় করছেন।

পট পরিবর্তনের পরে ব্যাংকের বিভিন্ন আওয়ামী আদর্শের সংগঠন হতে রাতারাতি পল্টি দিয়ে বিভিন্ন নতুন নামে সমিতি বা সংগঠন দাঁড় করিয়ে ব্যাংকের ৭ম তলার অফিসার সমিতির অফিস দখলে নিয়ে অনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন অগ্রণী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতি ও অগ্রণী ব্যাংক সাধারণ অফিসার কল্যাণ সমিতি নামের ২টি সংগঠন। ব্যাংকের সাধারণ নির্বাহী ও কর্মকর্তারা এদের কর্মকাণ্ডে ইতিমধ্যেই অসন্তুষ্ট। এদের সার্বিক সাহায্য ও সহায়তা করছেন ডিএমডি-৪ এর নেতৃত্বে উপরে বর্ণিত জিএমবৃন্দ।

কর্মকর্তারা জানান, গত স্বৈরাচারের সময়ে মির্জা আজম তার এলাকার (উপরে বর্ণিত) জিএমদের প্রভাব খাটিয়ে ঢাকায় বিভিন্ন কর্পোরেট শাখা এবং ডিভিশনে রেখেছেন। এদের নেতৃত্বেই স্বৈরাচারী বলয় গড়ে উঠেছে এই ব্যাংকে। নতুন চেয়ারম্যান নবনিযুক্ত এমডিকে অকার্যকর রেখে এই স্বৈরাচার নির্ভর বলয়ের পরামর্শেই সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা বিগত সময়ের স্বৈরাচারবিরোধী নির্বাহী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের ক্ষোভের কারণ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আগের পর্ষদের পদোন্নতি দুর্নীতি বিচারের দাবীতে অগ্রণী ব্যাংকে বিক্ষোভ

আপডেট সময় ১০:১৫:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ডিসেম্বর ২০২৪

পতিত আওয়ামীলীগ সরকারের মেয়াদে অগ্রণী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ও ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ পদোন্নতিতে দুর্নীতি করছে। সরকার পরিবর্তন হলেও দুর্নীতির মাধ্যমে পদোন্নতি প্রাপ্তরা বিশেষ করে বিগত সরকারের আমলে ঋণ জালিয়াতিতে সহায়তাকারী ডিএমডি-জিএমরা এখনো স্ব-পদে বহাল রয়েছেন। এমনকি তারা ঋণগুলো নবায়ন ও আদায়ের ক্ষেত্রেও অনৈতিক সুবিধা বাগিয়ে নিচ্ছেন। এসব কর্মকর্তাদের পদোন্নতি বাতিল ও দায়িত্বচ্যুত করার দাবিতে ব্যাংকটির বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা সোমবার নতুন পরিচালনা পর্ষদের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন । দাবি আদায়ে তারা সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) বিকেলে পর্ষদ কক্ষের সামনে অবস্থান নেন।

এ বিষয়ে জানার জন্য অগ্রণী ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবু নাসের বখতিয়ার এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক আনোয়ারুল ইসলামের মুঠোফোনে ফোন দিয়ে যোগাযোগ করে পাওয়া যায়নি।

ব্যাংক কর্মকর্তারা জানান, গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পরে দেশের পুলিশ, সচিবালয়সহ বিভিন্ন দপ্তরে স্বৈরাচারের সরাসরি সহযোগীদের বিদায় দেওয়া হয়েছে। অথচ যে ব্যাংক ও আর্থিক সেক্টরের মাধ্যমে স্বৈরাচার সরকার টাকা পাচার করে দেশকে পঙ্গু করে দিয়েছে সেই ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিশেষ করে সরকারি ব্যাংকগুলো হতে শুধুমাত্র চেয়ারম্যান এবং এমডিদের বিদায় দেওয়া হয়। কিন্তু স্বৈরাচারের এইসব চেয়ারম্যান-এমডিদের অনিয়ম, জালিয়াতি এবং অর্থপাচারের সরাসরি সহযোগী ডিএমডি-জিএম এবং কিছু কিছু ডিজিএমরা এখনো বহালতবিয়তে তাদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কেউ কেউ এই সুযোগে নিজেদের রং বদলাতে যা যা করার প্রয়োজন তাই করে যাচ্ছেন।

তারা জানান, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবু নাসের বখতিয়ার স্বৈরাচারী মনোভাব নিয়ে তার যাত্রা শুরু করেন এবং এখনো সেভাবেই চলছেন। তিনি গত স্বৈরাচার সরকারের সব থেকে সহযোগী নির্বাহী (ডিএমডি-৪) আবুল বাসার, জিএম শামীম রেজা (বঙ্গবন্ধু কর্ণারের রূপকার), জিএম সামছুল আলম, প্রধান শাখার জিএম আফজাল, জিএম ফজলুল হক (সাবেক ছাত্রলীগ ক্যাডার), জিএম আবু বকর সিদ্দিকী এবং জিএম আবু হাসান তালুকদার দের স্ব স্ব পদে বহাল রেখেছেন এবং তাদের পরামর্শেই ব্যাংক চালাচ্ছেন।

ব্যাংকটির চেয়ারম্যানের বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ তুলে ধরেছেন কর্মকর্তারা।
ব্যাংক কোং আইন-১৯৯১ এবং বিআরপিডি সার্কুলার- ১১ (ধারা ৪.৩/ক) ও ০২ (ধারা ১০.২/খ) তারিখ যথাক্রমে ২৭ অক্টোবর, ২০১৩ ও ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ এর নির্দেশনা লঙ্ঘন করে এমডিকে অকার্যকর রেখে ব্যাংকের সকল সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নির্দেশ দিচ্ছেন, যা বেআইনী।

ব্যাংক কোং আইন-১৯৯১ এবং বিআরপিডি সার্কুলার-১১ এর ৪.১(ঘ) এর (অ) ধারা ধারা লঙ্ঘন করে তিনি অতিরিক্ত আরেকটি গাড়ি সার্বক্ষণিক ব্যবহার করছেন। শুধু তাই নয়, ব্যাংকের অনেক গাড়িচালক বসে বসে বেতন নিলেও তিনি সরকারি ও বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি লঙ্ঘন করে নিজের ব্যক্তিগত গাড়ি চালকের বেতন-ভাতা ব্যাংক থেকে প্রদান করছেন জোর জবরদস্তির মাধ্যমে, যা একটা বড় অনিয়ম এবং নৈতিকতা পরিপন্থী কাজ।

তিনি ব্যাংকে যোগদানের পরেই ব্যাংক কোং আইন এবং বিআরপিডি সার্কুলার -১১ ও ০২ লঙ্ঘন করে অফিস নির্দেশ জারি করে ব্যাংকের মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনার সকল দায়িত্ব ব্যাংকের ডিএমডি-১ হতে ডিএমডি-৪ এর উপর স্থানান্তর করেন- যা একটি প্রশাসনিক অনিয়ম। চেয়ারম্যান যোগদানের দিনেই স্বৈরাচারের সহযোগীরা তাকে দিয়ে এই কাজটি করে নিয়েছেন। কারণ ডিএমডি-৪ নিজেও সাবেক স্বৈরাচারের সব থেকে বড় দোসরদের একজন।

ব্যাংক কোং আইন এবং বিআরপিডি সার্কুলার-১১ এর ৪.৩ (ক) ও বিআরপিডি সার্কুলার -০২ এর ১০.১(ঘ) এর বিধান লঙ্ঘন করে যোগদানের পর পরই তিনি ব্যাংকের এজিএম পদোন্নতি বোর্ডের প্রধান হন এবং নীতিবর্হিভূত প্রভাব খাটিয়ে স্বৈরাচারের দোসর ডিএমডি-৪ আবুল বাসারের মাধ্যমে বিতর্কিত, অসৎ এবং অযোগ্যদের পদোন্নতি নিশ্চিত করেছেন।

ব্যাংক কোং আইনের ১৮(১১) এবং বিআরপিডি সার্কুলার-১১ ও সব শেষ প্রধান উপদেষ্টার গাড়ি ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশনা লঙ্ঘন করে বর্তমান চেয়ারম্যান পূর্বের স্বৈরাচারী সময়ের চেয়ারম্যানের মতোতই ব্যাংক পরিচালকদের গাড়ি ব্যবহারের অনুমতি এবং ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নিয়মবর্হিভূতভাবে সার্বক্ষণিক ব্যাংকের গাড়ি প্রদান করে লাখ লাখ টাকার অপচয় করছেন।

স্বৈরাচার সরকারের সময়ের মতোই সকল নিয়মাচার লঙ্ঘন করে ব্যাংকের ডিএমডিরা সার্বক্ষণিক এবং জিএমরা মাঝে মাঝেই গাড়ি ব্যবহার করে ব্যাংকের টাকা অপচয় করছেন।

পট পরিবর্তনের পরে ব্যাংকের বিভিন্ন আওয়ামী আদর্শের সংগঠন হতে রাতারাতি পল্টি দিয়ে বিভিন্ন নতুন নামে সমিতি বা সংগঠন দাঁড় করিয়ে ব্যাংকের ৭ম তলার অফিসার সমিতির অফিস দখলে নিয়ে অনৈতিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন অগ্রণী ব্যাংক অফিসার কল্যাণ সমিতি ও অগ্রণী ব্যাংক সাধারণ অফিসার কল্যাণ সমিতি নামের ২টি সংগঠন। ব্যাংকের সাধারণ নির্বাহী ও কর্মকর্তারা এদের কর্মকাণ্ডে ইতিমধ্যেই অসন্তুষ্ট। এদের সার্বিক সাহায্য ও সহায়তা করছেন ডিএমডি-৪ এর নেতৃত্বে উপরে বর্ণিত জিএমবৃন্দ।

কর্মকর্তারা জানান, গত স্বৈরাচারের সময়ে মির্জা আজম তার এলাকার (উপরে বর্ণিত) জিএমদের প্রভাব খাটিয়ে ঢাকায় বিভিন্ন কর্পোরেট শাখা এবং ডিভিশনে রেখেছেন। এদের নেতৃত্বেই স্বৈরাচারী বলয় গড়ে উঠেছে এই ব্যাংকে। নতুন চেয়ারম্যান নবনিযুক্ত এমডিকে অকার্যকর রেখে এই স্বৈরাচার নির্ভর বলয়ের পরামর্শেই সকল কার্যক্রম পরিচালনা করছেন, যা বিগত সময়ের স্বৈরাচারবিরোধী নির্বাহী, কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের ক্ষোভের কারণ হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন