ঢাকা ১২:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬
সর্বশেষ:
সংসদের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি: তথ্যমন্ত্রী ইরানে এক রাতে ২৩০টি বোমা-ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে ইসরাইল তারেক রহমানের ২০তম কারাবন্দি দিবস আজ সপ্তাহের ব্যবধানে ডিএসইর বাজার মূলধন কমলো ২০ হাজার কোটি টাকা হাসপাতাল পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ১৬ ডাক্তারের মধ্যে উপস্থিত ৮ ভিড় কমেনি ফিলিং স্টেশনে, ধীরে ধীরে বড় হচ্ছে যানবাহনের লাইন আরব দেশগুলোতে হামলা নিয়ে নতুন করে যে বার্তা দিল ইরান ব্যাংক স্থাপনার ভাড়ার সর্বোচ্চ হার নির্ধারণ করলো বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে কয়েক মাস হরমুজ প্রণালি অচল রাখতে পারে ইরান খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার

‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর প্রতি সহিংসতার সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ প্রকাশ’ শীর্ষক তথ্যবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক


সাম্প্রতিক সময়ে ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে বাড়ছে নারীর শিক্ষা ও কাজের পরিধি। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন পেশা, ব্যবসা ও আয়ের নতুন ক্ষেত্র, যা নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এর একটি নেতিবাচক দিক হল ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ছে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি ও সহিংসতা। সরাসরি ভূক্তভোগী হচ্ছেন নারী রাজনৈতিক অধিকারকর্মী, অভিনেত্রী, নারী কবি ও লেখক, নারী ক্রীড়া ব্যক্তিত্বসহ সাধারণ ও প্রান্তিক নারীরা।


এ প্রেক্ষিতে গবেষণাভিত্তিক এডভোকেসি প্রতিষ্ঠান, ভয়েসেস ফর ইন্টারএকটিভ চয়েস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট (ভয়েস)-র আয়োজনে শনিবার (১৫ ফেরুয়ারি ২০২৫) ভয়েস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর প্রতি সহিংসতার সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ প্রকাশ’ শীর্ষক এক তথ্যবিনিময় সভা। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভয়েসের ‘পাওয়ার: প্রমোটিং উইমেনস ইকুয়ালিটি অ্যান্ড রাইটস’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ সভার আয়োজন করা হয় ।


সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রমিতি প্রভা চৌধুরী। গত বছর অক্টোবর থেকে ঘটে যাওয়া নারীর প্রতি অনলাইন সহিংসতার ১৩টি ঘটনা বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘যেসব নারীরা কোনো আদর্শগত কাজে জড়িত, যেমন, সাংবাদিক এবং মানবাধিকারকর্মী, অথবা নিজ নিজ কার্যক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখছেন, তারা সাইবার আক্রমনের শিকার বেশি হচ্ছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নারী সমন্বয়ক এবং সাধারন নারী যারা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক হয়রানিমূলক আচরণ পরিলক্ষিত হয় যা তাদের বাস্তব জীবনেও চরম প্রভাব ফেলেছে। তাই সরকার পরিবর্তনের পর অনেকেই অনলাইনে রাজনৈতিক মতাদর্শের চর্চা এবং বাকস্বাধীনতার প্রয়োগ থেকে বিরত আছেন।’ এছাড়াও এসব নারীরা অনলাইনে আরো বিভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার হন, যার মধ্যে তাদের আদর্শ, জীবনযাত্রা বা পেশগত কারণে লজ্জিত ও দোষীসাব্যস্ত করা এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপতথ্য প্রচার উল্লেখযোগ্য।


সভার আলোচনায় আরো উঠে আসে যে, সাইবার স্পেসে নারীদের হয়রানির সমাধানকল্পে পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনে গত সাড়ে তিন বছরে (২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত) সাইবার অপরাধের শিকার ৬০ হাজার ৮০৮ জন নারী প্রতিকার চেয়েছেন। সাইবার স্পেসে ভুক্তভোগী এসব নারীর ৪১ ভাগই ডক্সিংয়ের শিকার হয়েছেন। এছাড়া ১৮ ভাগ ফেইসবুক আইডি হ্যাক, ১৭ ভাগ ব্ল্যাকমেইলিং, ৯ ভাগ ইমপার্সোনেশন, ৮ ভাগ সাইবার বুলিংজনিত সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করেছেন। উল্লেখ্য, গতবছর আগস্টে সরকার পতনের পর, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনে, নারীর বিরুদ্ধে সাইবারক্রাইমের সর্বোচ্চ সংখক অভিযোগ দাখিল হয়।


সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর তারা জোর দেন। এছাড়াও পুলিশের সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে কর্মরত ব্যক্তিদের জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তারা বলেন, সামাজিক হয়রানির ভয় ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে, অনেকেই আইনপ্রয়োগকারীদের সাহায্য নিতে চান না। ভুক্তভোগীদের বেশির ভাগই প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝতে পারেন না কী করবেন বা কোথায় গেলে প্রতিকার পাবেন এবং অভিভাবক বা পরিচিতজনকেও জানাতে চান না। অন্যদিকে যে ভূক্তভোগীরা মামলা করেন, তারা সঠিক বিচার পান না, যার ফলে অনেকেই আত্মহননের মত পথ বেছে নেন।


বর্তমানে সাইবার অপরাধীদের অন্যতম লক্ষ্য নারী। নারীর বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়ানো, ঘৃণামূলক মন্তব্য থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বানানো আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ভীতি প্রদর্শন, ইত্যাদির মাধ্যমে নারীকে অপদস্থ, উত্ত্যক্ত এবং সমাজে হেয় করা হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে সাইবারস্টকিং বা পিছু নেওয়া, মর্ফিং (কোন নারীর ছবি বিকৃত করা, ফেইক প্রোফাইল তৈরি করা, যৌন উত্তেজক ক্ষুদেবার্তা পাঠানো), আর্থিক প্রতারণা, ইমেল আইডি হ্যাক করা, ইমপার্সোনেশন বা ক্যাটফিশিং (ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণা), ডক্সিং (নারীর ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ঠিকানা, ফোন নম্বর, ইমেইল, পারিবারিক তথ্য অনলাইনে ফাঁস)।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ । তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে যৌন হয়রানি মোকাবিলার অন্যতম হাতিয়ার হল জনসচেতনতা। অনলাইন সহিংসতার বিভিন্ন ধরন, এর প্রভাব এবং সম্পৃক্ত আইন সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারাভিযান, কর্মশালা এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম চালানো জরুরি। ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বরকে প্রাধান্য দিয়ে অনলাইনে যৌন সহিংসতার ক্ষতিকর প্রভাব সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ভুক্তভোগীদের সমর্থন প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যকে সহজলভ্য করতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর প্রতি সহিংসতার সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ প্রকাশ’ শীর্ষক তথ্যবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

আপডেট সময় ০৭:২৩:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৫


সাম্প্রতিক সময়ে ইন্টারনেট ও ডিজিটাল যন্ত্রপাতির ব্যবহার বৃদ্ধির সাথে বাড়ছে নারীর শিক্ষা ও কাজের পরিধি। তৈরি হচ্ছে বিভিন্ন পেশা, ব্যবসা ও আয়ের নতুন ক্ষেত্র, যা নারীর ক্ষমতায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। কিন্তু এর একটি নেতিবাচক দিক হল ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে বাড়ছে নারীর প্রতি যৌন হয়রানি ও সহিংসতা। সরাসরি ভূক্তভোগী হচ্ছেন নারী রাজনৈতিক অধিকারকর্মী, অভিনেত্রী, নারী কবি ও লেখক, নারী ক্রীড়া ব্যক্তিত্বসহ সাধারণ ও প্রান্তিক নারীরা।


এ প্রেক্ষিতে গবেষণাভিত্তিক এডভোকেসি প্রতিষ্ঠান, ভয়েসেস ফর ইন্টারএকটিভ চয়েস অ্যান্ড এমপাওয়ারমেন্ট (ভয়েস)-র আয়োজনে শনিবার (১৫ ফেরুয়ারি ২০২৫) ভয়েস কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর প্রতি সহিংসতার সাম্প্রতিক ঘটনাসমূহ প্রকাশ’ শীর্ষক এক তথ্যবিনিময় সভা। সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে ভয়েসের ‘পাওয়ার: প্রমোটিং উইমেনস ইকুয়ালিটি অ্যান্ড রাইটস’ প্রকল্পের অংশ হিসেবে এ সভার আয়োজন করা হয় ।


সভায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন ভয়েসের প্রকল্প ব্যবস্থাপক প্রমিতি প্রভা চৌধুরী। গত বছর অক্টোবর থেকে ঘটে যাওয়া নারীর প্রতি অনলাইন সহিংসতার ১৩টি ঘটনা বিশ্লেষণ করে তিনি বলেন, ‘যেসব নারীরা কোনো আদর্শগত কাজে জড়িত, যেমন, সাংবাদিক এবং মানবাধিকারকর্মী, অথবা নিজ নিজ কার্যক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখছেন, তারা সাইবার আক্রমনের শিকার বেশি হচ্ছেন। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের নারী সমন্বয়ক এবং সাধারন নারী যারা আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেছিলেন, তাদের প্রতি বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক হয়রানিমূলক আচরণ পরিলক্ষিত হয় যা তাদের বাস্তব জীবনেও চরম প্রভাব ফেলেছে। তাই সরকার পরিবর্তনের পর অনেকেই অনলাইনে রাজনৈতিক মতাদর্শের চর্চা এবং বাকস্বাধীনতার প্রয়োগ থেকে বিরত আছেন।’ এছাড়াও এসব নারীরা অনলাইনে আরো বিভিন্নভাবে বৈষম্যের শিকার হন, যার মধ্যে তাদের আদর্শ, জীবনযাত্রা বা পেশগত কারণে লজ্জিত ও দোষীসাব্যস্ত করা এবং উদ্দেশ্যমূলকভাবে অপতথ্য প্রচার উল্লেখযোগ্য।


সভার আলোচনায় আরো উঠে আসে যে, সাইবার স্পেসে নারীদের হয়রানির সমাধানকল্পে পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনে গত সাড়ে তিন বছরে (২০২৪ সালের মে মাস পর্যন্ত) সাইবার অপরাধের শিকার ৬০ হাজার ৮০৮ জন নারী প্রতিকার চেয়েছেন। সাইবার স্পেসে ভুক্তভোগী এসব নারীর ৪১ ভাগই ডক্সিংয়ের শিকার হয়েছেন। এছাড়া ১৮ ভাগ ফেইসবুক আইডি হ্যাক, ১৭ ভাগ ব্ল্যাকমেইলিং, ৯ ভাগ ইমপার্সোনেশন, ৮ ভাগ সাইবার বুলিংজনিত সমস্যা নিয়ে অভিযোগ করেছেন। উল্লেখ্য, গতবছর আগস্টে সরকার পতনের পর, সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে পুলিশ সাইবার সাপোর্ট ফর উইমেনে, নারীর বিরুদ্ধে সাইবারক্রাইমের সর্বোচ্চ সংখক অভিযোগ দাখিল হয়।


সভায় উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন টেলিভিশন, পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকার সাংবাদিকবৃন্দ। প্রযুক্তি ব্যবহার করে নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের ওপর তারা জোর দেন। এছাড়াও পুলিশের সাইবার সাপোর্ট সেন্টারে কর্মরত ব্যক্তিদের জেন্ডার সংবেদনশীলতা বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তারা বলেন, সামাজিক হয়রানির ভয় ও প্রশাসনিক জটিলতার কারণে, অনেকেই আইনপ্রয়োগকারীদের সাহায্য নিতে চান না। ভুক্তভোগীদের বেশির ভাগই প্রাথমিক পর্যায়ে বুঝতে পারেন না কী করবেন বা কোথায় গেলে প্রতিকার পাবেন এবং অভিভাবক বা পরিচিতজনকেও জানাতে চান না। অন্যদিকে যে ভূক্তভোগীরা মামলা করেন, তারা সঠিক বিচার পান না, যার ফলে অনেকেই আত্মহননের মত পথ বেছে নেন।


বর্তমানে সাইবার অপরাধীদের অন্যতম লক্ষ্য নারী। নারীর বিরুদ্ধে অপতথ্য ছড়ানো, ঘৃণামূলক মন্তব্য থেকে শুরু করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে বানানো আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়া, ভীতি প্রদর্শন, ইত্যাদির মাধ্যমে নারীকে অপদস্থ, উত্ত্যক্ত এবং সমাজে হেয় করা হচ্ছে। এছাড়া রয়েছে সাইবারস্টকিং বা পিছু নেওয়া, মর্ফিং (কোন নারীর ছবি বিকৃত করা, ফেইক প্রোফাইল তৈরি করা, যৌন উত্তেজক ক্ষুদেবার্তা পাঠানো), আর্থিক প্রতারণা, ইমেল আইডি হ্যাক করা, ইমপার্সোনেশন বা ক্যাটফিশিং (ছদ্মবেশ ধারণ করে প্রতারণা), ডক্সিং (নারীর ব্যক্তিগত তথ্য যেমন ঠিকানা, ফোন নম্বর, ইমেইল, পারিবারিক তথ্য অনলাইনে ফাঁস)।


অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভয়েসের নির্বাহী পরিচালক আহমেদ স্বপন মাহমুদ । তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তির মাধ্যমে যৌন হয়রানি মোকাবিলার অন্যতম হাতিয়ার হল জনসচেতনতা। অনলাইন সহিংসতার বিভিন্ন ধরন, এর প্রভাব এবং সম্পৃক্ত আইন সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে সামাজিক মাধ্যমে প্রচারাভিযান, কর্মশালা এবং সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কার্যক্রম চালানো জরুরি। ভুক্তভোগীদের কণ্ঠস্বরকে প্রাধান্য দিয়ে অনলাইনে যৌন সহিংসতার ক্ষতিকর প্রভাব সর্ম্পকে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। ভুক্তভোগীদের সমর্থন প্রদানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্যকে সহজলভ্য করতে হবে।’

নিউজটি শেয়ার করুন