ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত গড়ালো ষষ্ঠ দিনে, বিশ্ববাজারে বাড়ছে তেলের দাম

স্পোর্টস ডেস্ক


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার (১৮ জুন) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৭৬.৭১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই দিনে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৩৫ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৫.১৯ ডলার।

মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করেন। যদিও ইরান-ইসরায়েল মধ্যে সংঘাত এরই মধ্যে ষষ্ঠ দিনে প্রবেশ করেছে।

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র আরও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করা যায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায়। যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহী তেলের এক-পঞ্চমাংশ যায়।

ইরান হলো ওপেকের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। যেটি দিনে প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানি তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও ওপেক প্লাস দেশগুলোর অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা দিয়ে তা সামাল দেওয়া সম্ভব।

বলা হচ্ছে, যদি ইরানের তেল উৎপাদন বা রপ্তানি বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে, তবে তেলের দামে আরও চাপ আসবে। তবে তেমন বিপর্যয় হলেও তা পূরণ করা সম্ভব অতিরিক্ত উৎপাদনের মাধ্যমে।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইরান-ইসরায়েল সংঘাত গড়ালো ষষ্ঠ দিনে, বিশ্ববাজারে বাড়ছে তেলের দাম

আপডেট সময় ০১:৩৯:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫


মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ছে। বুধবার (১৮ জুন) ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ৭৬.৭১ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

একই দিনে ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েটের দাম ৩৫ সেন্ট বা ০.৫ শতাংশ বেড়ে হয়েছে ৭৫.১৯ ডলার।

মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ দাবি করেন। যদিও ইরান-ইসরায়েল মধ্যে সংঘাত এরই মধ্যে ষষ্ঠ দিনে প্রবেশ করেছে।

একই দিনে যুক্তরাষ্ট্র আরও যুদ্ধবিমান মোতায়েনের ঘোষণা দিয়েছে, যাতে মধ্যপ্রাচ্যে তাদের প্রতিরক্ষা জোরদার করা যায়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, বাজারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ দেখা দিয়েছে হরমুজ প্রণালীতে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায়। যেখান দিয়ে বিশ্বের মোট সমুদ্রপথে পরিবাহী তেলের এক-পঞ্চমাংশ যায়।

ইরান হলো ওপেকের তৃতীয় বৃহত্তম তেল উৎপাদনকারী দেশ। যেটি দিনে প্রায় ৩.৩ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উত্তোলন করে। যদিও বিশ্লেষকরা বলছেন, ইরানি তেলের সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও ওপেক প্লাস দেশগুলোর অতিরিক্ত উৎপাদন ক্ষমতা দিয়ে তা সামাল দেওয়া সম্ভব।

বলা হচ্ছে, যদি ইরানের তেল উৎপাদন বা রপ্তানি বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে, তবে তেলের দামে আরও চাপ আসবে। তবে তেমন বিপর্যয় হলেও তা পূরণ করা সম্ভব অতিরিক্ত উৎপাদনের মাধ্যমে।

নিউজটি শেয়ার করুন