ঢাকা ০২:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

সুদের হারের চাপে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হারানোর শঙ্কা

নিজস্ব প্রতিবেদক

উচ্চ সুদহার আর জ্বালানি সংকটে ব্যবসা ও শিল্প চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। চলমান অস্থিরতায় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের বিক্রিতেও ধস নেমেছে। সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়ার নীতি কতটা সফল হবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, এক দিকে গ্যাসের সংকট, অন্য দিকে বাড়ছে উৎপাদন খরচ। এই অবস্থায় ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত সুদের চাপে কমতে পারে বিনিয়োগ, কমবে কর্মসংস্থানও। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আবারও নীতি সুদহার বাড়ানোর ফলে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরশীল ছোট, মাঝারি ও বড় ব্যবসায়ীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ছে।
শীর্ষ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে চলমান অস্থিরতায় অত্যাবশ্যকীয় নিত্যপণ্য নয়Ñ এমন পণ্যের বিক্রিতে ধস নেমেছে। এমন পরিস্থিতিতে ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সুদহার অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন না উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, শিল্প ঋণের ব্যয় প্রায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে গেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, গত বছরের জুনেও ব্যাংকঋণের সুদের হার ছিল ৯ শতাংশ। বর্তমানে সেটি বেড়ে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০২০ সালের এপ্রিলে সরকারের পরামর্শে ব্যাংকঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্দিষ্ট করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে মেয়াদি আমানতের সুদহারও বেঁধে দেওয়া হয়, সে হার ছিল ৬ শতাংশ। এরপর দীর্ঘদিন ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের ক্ষেত্রে সুদহার ৯-৬-এ সীমাবদ্ধ ছিল। উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনীতি নানা সংকটে পড়লে গত বছরের জুলাইয়ে সুদের হার বাড়তে শুরু করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ২২ অক্টোবর আরেক দফা নীতি সুদহার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এতে আরেক দফা ব্যাংকঋণের সুদহার বাড়তে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে উদ্যোক্তাদের।
বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, উচ্চ সুদহারে কেউ বিনিয়োগে যাবে না। বরং বর্তমান যে বিনিয়োগ আমাদের আছে সেটাই এখন হুমকির মুখে। সুদহার ক্রমাগত যেহেতু বেড়েই যাচ্ছে, তখন সেটা মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে আসছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে, আরও বন্ধ হবে, বন্ধ হয়ে গেলে কর্মসংস্থান হারাবে। অনেকে বেকার হয়ে পড়বে।
আইবিএফবি’র সভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, যারা উদ্যোক্তা তাদের পক্ষে এত চাপ নেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব কি না সেটাই বুঝতে হবে। এমন চাপ নিলেন, যেটা নেওয়ার ক্যাপাসিটি আপনার নাই। এরকম চাপ নিলে আরও বেশি কষ্টকর করে ফেলবেন আপনার শিল্পকে। শিল্প আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
ঢাকায় ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ : অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রসঙ্গ’ বিষয়ে সংলাপে ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ-বিসিআই-এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, বর্তমানে কেউ স্বস্তিতে নাই। যেখানে আছি, সেখান থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। মূল্যস্ফীতি একটা কারণ। উৎপাদনের খরচ বাড়ছে। গ্যাসের সরবরাহ নাই, উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ইন্টারেস্ট রেট। প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই অনিশ্চয়তা থাকলে কেউ ব্যবসায় আসবে না।
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, সুদের চাপে ব্যবসা কঠিন হয়ে পড়েছেÑ এই ধারণায় একমত ‘নীতি সুদহার বাড়ানো হচ্ছে বেনিফিট কোন ব্যবসায়ী পাবে? এগুলোকে অ্যাড্রেস করতে হবে। কোনো ইন্ডাস্ট্রি এত পারসেন্ট ইন্টারেস্ট দিয়ে টিকে থাকতে পারে?’
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির বিরোধিতা করে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, আমি যখন দেখি সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে বাজারে অর্থ সরবরাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি কমানো হবে, তখন অবাক হই। এটি একটি টুল। কিন্তু আমরা শুনি কারওয়ান বাজারে এক কোটি টাকার চাঁদা ওঠে। যাত্রাবাড়ী ও গাবতলীতেও তাই। এসব বিবেচনায় না নিলে মূল্যস্ফীতি কমবে না।
মীর নাসির বলেন, বর্ধিত দাম দিয়েও বিদ্যুৎ ও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বলি ৬-৯ সুদের হার যৌক্তিক ছিল না। কিন্তু সকল খাতের সহনীয় ক্ষমতা এক না। এখন এত চাপ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চলবে না। বর্তমান বিনিয়োগই চালানো যাচ্ছে না। নতুন বিনিয়োগ তাহলে কীভাবে করবে?
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়। কিন্তু এরাই (ব্যবসায়ী) সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত। বিনিয়োগের জন্য প্রথম দরকার সামাজিক মূলধন, সামাজিক শৃঙ্খলা, সামাজিক ঐক্য।
সব সরকারই ‘বিভক্তি’ই তৈরি করেছে মত দিয়ে মিন্টু বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শত্রু হয়ে যায়। ফলে বিনিয়োগের পরিবেশ নাই।
বছরের পর বছর মূল্যস্ফীতি মজুরির ওপর থাকে তাহলে সঞ্চয় হবে কীভাবে? সঞ্চয় কমে গেলে বিনিয়োগ আসবে কোত্থেকে? সঞ্চয় বাড়াতে হবে এবং সামাজিক মূলধনের ঘাটতি কমাতে হবে। তাহলে বিনিয়োগ এমনই আসবে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগ হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। চাকরি না বাড়াতে পারলে বৈষম্য বাড়তে থাকবে। চুরি, মারামারি বেড়ে যাবে। গ্যাং সংস্কৃতি বেড়ে যাবে। রাজনীতি যতক্ষণ ঠিক না হবে ততক্ষণ কিছুই হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সুদের হারের চাপে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান হারানোর শঙ্কা

আপডেট সময় ১২:১৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৪

উচ্চ সুদহার আর জ্বালানি সংকটে ব্যবসা ও শিল্প চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে গেছে। চলমান অস্থিরতায় বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের বিক্রিতেও ধস নেমেছে। সুদের হার বাড়িয়ে মূল্যস্ফীতি সামাল দেওয়ার নীতি কতটা সফল হবে, সে প্রশ্ন তুলেছেন ব্যবসায়ীরা। তারা বলছেন, এক দিকে গ্যাসের সংকট, অন্য দিকে বাড়ছে উৎপাদন খরচ। এই অবস্থায় ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে যাচ্ছে। অতিরিক্ত সুদের চাপে কমতে পারে বিনিয়োগ, কমবে কর্মসংস্থানও। উচ্চ মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আবারও নীতি সুদহার বাড়ানোর ফলে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভরশীল ছোট, মাঝারি ও বড় ব্যবসায়ীদের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়ছে।
শীর্ষ ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশে চলমান অস্থিরতায় অত্যাবশ্যকীয় নিত্যপণ্য নয়Ñ এমন পণ্যের বিক্রিতে ধস নেমেছে। এমন পরিস্থিতিতে ঋণের সুদহার বেড়ে যাওয়ায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। সুদহার অত্যধিক বেড়ে যাওয়ায় ব্যবসা সম্প্রসারণ ও নতুন বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছেন না উদ্যোক্তারা। তারা বলছেন, শিল্প ঋণের ব্যয় প্রায় ১৭ শতাংশ বেড়েছে। বেসরকারি খাতে ঋণের প্রবাহ কমে গেলে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও নতুন কর্মসংস্থান হুমকির মুখে পড়বে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যানুসারে, গত বছরের জুনেও ব্যাংকঋণের সুদের হার ছিল ৯ শতাংশ। বর্তমানে সেটি বেড়ে ১৪ থেকে ১৫ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। ২০২০ সালের এপ্রিলে সরকারের পরামর্শে ব্যাংকঋণের সুদ সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ নির্দিষ্ট করে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। তখন মূল্যস্ফীতির সঙ্গে সমন্বয় রেখে মেয়াদি আমানতের সুদহারও বেঁধে দেওয়া হয়, সে হার ছিল ৬ শতাংশ। এরপর দীর্ঘদিন ব্যাংক খাতে ঋণ ও আমানতের ক্ষেত্রে সুদহার ৯-৬-এ সীমাবদ্ধ ছিল। উচ্চ মূল্যস্ফীতিসহ অর্থনীতি নানা সংকটে পড়লে গত বছরের জুলাইয়ে সুদের হার বাড়তে শুরু করে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত ২২ অক্টোবর আরেক দফা নীতি সুদহার বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে। এতে আরেক দফা ব্যাংকঋণের সুদহার বাড়তে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে উদ্যোক্তাদের।
বিকেএমইএ-এর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, উচ্চ সুদহারে কেউ বিনিয়োগে যাবে না। বরং বর্তমান যে বিনিয়োগ আমাদের আছে সেটাই এখন হুমকির মুখে। সুদহার ক্রমাগত যেহেতু বেড়েই যাচ্ছে, তখন সেটা মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে আসছে।
তিনি বলেন, ইতোমধ্যে অনেকগুলো শিল্প প্রতিষ্ঠান ঋণ খেলাপিতে পরিণত হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে, আরও বন্ধ হবে, বন্ধ হয়ে গেলে কর্মসংস্থান হারাবে। অনেকে বেকার হয়ে পড়বে।
আইবিএফবি’র সভাপতি হুমায়ুন রশীদ বলেন, যারা উদ্যোক্তা তাদের পক্ষে এত চাপ নেওয়া এই মুহূর্তে সম্ভব কি না সেটাই বুঝতে হবে। এমন চাপ নিলেন, যেটা নেওয়ার ক্যাপাসিটি আপনার নাই। এরকম চাপ নিলে আরও বেশি কষ্টকর করে ফেলবেন আপনার শিল্পকে। শিল্প আরও বেশি চ্যালেঞ্জের মুখে পড়বে।
ঢাকায় ‘গণতান্ত্রিক পুনর্গঠনের জন্য সংলাপ : অর্থনৈতিক নীতিমালা প্রসঙ্গ’ বিষয়ে সংলাপে ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজ-বিসিআই-এর সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ বলেন, বর্তমানে কেউ স্বস্তিতে নাই। যেখানে আছি, সেখান থেকে পিছিয়ে যাচ্ছি। মূল্যস্ফীতি একটা কারণ। উৎপাদনের খরচ বাড়ছে। গ্যাসের সরবরাহ নাই, উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। এর সাথে যুক্ত হয়েছে ইন্টারেস্ট রেট। প্রতিনিয়ত বাড়ছে। এই অনিশ্চয়তা থাকলে কেউ ব্যবসায় আসবে না।
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি মীর নাসির হোসেন বলেন, সুদের চাপে ব্যবসা কঠিন হয়ে পড়েছেÑ এই ধারণায় একমত ‘নীতি সুদহার বাড়ানো হচ্ছে বেনিফিট কোন ব্যবসায়ী পাবে? এগুলোকে অ্যাড্রেস করতে হবে। কোনো ইন্ডাস্ট্রি এত পারসেন্ট ইন্টারেস্ট দিয়ে টিকে থাকতে পারে?’
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির বিরোধিতা করে এই ব্যবসায়ী নেতা বলেন, আমি যখন দেখি সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি দিয়ে বাজারে অর্থ সরবরাহ কমিয়ে মূল্যস্ফীতি কমানো হবে, তখন অবাক হই। এটি একটি টুল। কিন্তু আমরা শুনি কারওয়ান বাজারে এক কোটি টাকার চাঁদা ওঠে। যাত্রাবাড়ী ও গাবতলীতেও তাই। এসব বিবেচনায় না নিলে মূল্যস্ফীতি কমবে না।
মীর নাসির বলেন, বর্ধিত দাম দিয়েও বিদ্যুৎ ও গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে না। আমি বলি ৬-৯ সুদের হার যৌক্তিক ছিল না। কিন্তু সকল খাতের সহনীয় ক্ষমতা এক না। এখন এত চাপ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য চলবে না। বর্তমান বিনিয়োগই চালানো যাচ্ছে না। নতুন বিনিয়োগ তাহলে কীভাবে করবে?
এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি ও বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মাধ্যমে কর্মসংস্থান হয়। কিন্তু এরাই (ব্যবসায়ী) সবচেয়ে বেশি নিগৃহীত। বিনিয়োগের জন্য প্রথম দরকার সামাজিক মূলধন, সামাজিক শৃঙ্খলা, সামাজিক ঐক্য।
সব সরকারই ‘বিভক্তি’ই তৈরি করেছে মত দিয়ে মিন্টু বলেন, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ রাজনৈতিক শত্রু হয়ে যায়। ফলে বিনিয়োগের পরিবেশ নাই।
বছরের পর বছর মূল্যস্ফীতি মজুরির ওপর থাকে তাহলে সঞ্চয় হবে কীভাবে? সঞ্চয় কমে গেলে বিনিয়োগ আসবে কোত্থেকে? সঞ্চয় বাড়াতে হবে এবং সামাজিক মূলধনের ঘাটতি কমাতে হবে। তাহলে বিনিয়োগ এমনই আসবে।
তিনি বলেন, বিনিয়োগ হলে কর্মসংস্থান বাড়বে। চাকরি না বাড়াতে পারলে বৈষম্য বাড়তে থাকবে। চুরি, মারামারি বেড়ে যাবে। গ্যাং সংস্কৃতি বেড়ে যাবে। রাজনীতি যতক্ষণ ঠিক না হবে ততক্ষণ কিছুই হবে না।

নিউজটি শেয়ার করুন