ঢাকা ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পঙ্গু হওয়ার পথে

নিজস্ব প্রতিবেদক



দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্তরে শিক্ষক নিয়োগে ভয়াবহ রকম দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পঙ্গু হওয়ার পথে। তবে এত অসুবিধা ও সমস্যার মাঝেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনো অনেক শিক্ষক আছেন, যারা আন্তর্জাতিক মানের উচ্চপর্যায়ের গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে শুধু রাজনৈতিক আলাপ হয়, মেধাবী শিক্ষকরা আড়ালে পড়ে থাকেন। বিষয়গুলো আমাদের নজরে এসেছে।

আমাদের শিক্ষা কর্মসংস্থান খোঁজার মানুষ তৈরি করছে, যা ত্রুটিপূর্ণ
রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক মান: বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘প্রথম বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা সম্মেলন ২০২৪’-এর একটি পর্বে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে জানিয়ে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, উচ্চশিক্ষার পরিবেশ ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি, ছাত্ররাজনীতির নামে দুর্বৃত্তায়ন। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগে প্রচণ্ড অনিয়মও দায়ী।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের আলোচনায় গবেষণা নয়, শুধু রাজনীতি থাকে। এমন পরিস্থিতি তৈরির কারণগুলোকে আমলে নিয়েই এগোতে হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে শুধু রাজনৈতিক আলাপ হয়, মেধাবী শিক্ষকরা আড়ালে পড়ে থাকেন। কেন তাদের আড়ালে থাকা বা কোনঠাসা হয়ে থাকা তা জানতে হবে।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সম্প্রতি আন্দোলনের পর প্রায় সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ই অভিভাবকহীন হয়ে গিয়েছিল। উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ কাউকেই পাওয়া যাচ্ছিল না। এ থেকেই বোঝা যায়, নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন রাজনৈতিক দলীয়করণ হয়েছে যে, সরকার পরিবর্তনের ফলে সবাইকে চলে যেতে হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

শিক্ষা উপদেষ্টা

শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো পঙ্গু হওয়ার পথে

আপডেট সময় ০৫:৫৮:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৪



দেশের বিশ্ববিদ্যালয়সহ সব স্তরে শিক্ষক নিয়োগে ভয়াবহ রকম দুর্নীতি হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ।

তিনি বলেন, শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতির কারণে বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো পঙ্গু হওয়ার পথে। তবে এত অসুবিধা ও সমস্যার মাঝেও আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে এখনো অনেক শিক্ষক আছেন, যারা আন্তর্জাতিক মানের উচ্চপর্যায়ের গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে শুধু রাজনৈতিক আলাপ হয়, মেধাবী শিক্ষকরা আড়ালে পড়ে থাকেন। বিষয়গুলো আমাদের নজরে এসেছে।

আমাদের শিক্ষা কর্মসংস্থান খোঁজার মানুষ তৈরি করছে, যা ত্রুটিপূর্ণ
রোববার (২২ ডিসেম্বর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁওয়ে ‘উচ্চশিক্ষায় বৈশ্বিক মান: বাংলাদেশের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় দৈনিক বণিক বার্তা আয়োজিত ‘প্রথম বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা সম্মেলন ২০২৪’-এর একটি পর্বে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

দেশে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে জানিয়ে ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, উচ্চশিক্ষার পরিবেশ ক্রমাগত নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে। এর পেছনে রয়েছে শিক্ষকদের লেজুড়বৃত্তিক রাজনীতি, ছাত্ররাজনীতির নামে দুর্বৃত্তায়ন। পাশাপাশি শিক্ষক নিয়োগে প্রচণ্ড অনিয়মও দায়ী।

তিনি আরও বলেন, দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে ভঙ্গুর করে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষকদের আলোচনায় গবেষণা নয়, শুধু রাজনীতি থাকে। এমন পরিস্থিতি তৈরির কারণগুলোকে আমলে নিয়েই এগোতে হবে।

শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে শুধু রাজনৈতিক আলাপ হয়, মেধাবী শিক্ষকরা আড়ালে পড়ে থাকেন। কেন তাদের আড়ালে থাকা বা কোনঠাসা হয়ে থাকা তা জানতে হবে।

ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদ বলেন, সম্প্রতি আন্দোলনের পর প্রায় সব সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ই অভিভাবকহীন হয়ে গিয়েছিল। উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ কাউকেই পাওয়া যাচ্ছিল না। এ থেকেই বোঝা যায়, নিয়োগের ক্ষেত্রে এমন রাজনৈতিক দলীয়করণ হয়েছে যে, সরকার পরিবর্তনের ফলে সবাইকে চলে যেতে হয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন