ঢাকা ০৮:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ:

ইতিহাসে সর্ববৃহৎ আতশবাজির মাধ্যমে ২০২৫ সালকে স্বাগত জানালো সিডনি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে অগণিত আতশবাজির আলোয় সিডনির আকাশ উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।

২০২৫ সালকে স্বাগত জানাতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি চমকপ্রদ এবং বিশাল আতশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের শেষ দিনে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে নানা আয়োজন করে প্রতিটি দেশ। তবে এর মধ্যে আলাদা করে বিশ্বের নজর কেড়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদযাপন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ঘড়ির কাটায় রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সিডনি শহর ইতিহাসে সর্বকালের সর্ববৃহৎ আতশবাজি প্রদর্শনীর মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপন করে। এসময় সিডনি হারবার ব্রিজ এবং অপেরা হাউসের কালো আকাশ অগণিত আতশবাজির আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। এই দৃষ্টিনন্দন সময় উপভোগ করতে সারা দিনভর সিডনি অপেরা হাউসের আশপাশে জমায়েত হয় হাজার হাজার মানুষ।

প্রদর্শন করা হয় দুটি আতশবাজি শো। একটি মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় এবং মধ্যরাত ১২টায় অর্থাৎ বুধবার (১ জানুয়ারি)।

প্রতি বছরের মতো এবারও মূল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার তিন ঘণ্টা আগেই রাত ৯টায় সিডনির অপেরা হাউস এবং সিডনি হারবার ব্রিজে একটি “ফ্যামিলি ফায়ারওয়ার্কস” প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর মধ্যরাতের আগের কয়েক মিনিট সিডনি হারবার ব্রিজে একটি কাউন্টডাউন ঘড়ি প্রদর্শন করা হয়। হাজার হাজার মানুষ সেখানে বছরের শেষ ১০ সেকেন্ড শেষ হওয়ার অপেক্ষা করেন। রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে শহরজুড়ে গান বাজতে শুরু করে এবং অগণিত আতশবাজির আলোয় আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, মধ্যরাতে শুরু হওয়া এই আতশবাজি উৎসবে ৪০ হাজার ইফেক্ট দেখানো হয় এবং এ বছর মোট ২৬৪টি ফায়ারিং লোকেশন থেকে আতশবাজি প্রক্ষেপণ করে সিডনি হারবার ব্রিজকে আলোকিত করা হয়। গত বছর এর পরিমাণ ছিল ১৮৪টি।

এছাড়া, সিডনি হারবার ব্রিজ এবং সিডনি অপেরা হাউসের মধ্যে নতুন চারটি পাইরোটেকনিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ফায়ারিং করা হয়।

এ বছর প্রথমবারের মতো সিডনি হারবার ব্রিজের পশ্চিম দিকে ৮০টি নতুন অবস্থান থেকে আতশবাজি প্রক্ষেপণ শুরু হয়। সিডনি অপেরা হাউস, বর্জ এবং শহরের পাঁচটি অট্টালিকার ছাদ থেকেও আতশবাজি নিক্ষেপ করা হয়।

এই আতশবাজি প্রদর্শনীতে প্রায় ১০ টন আতশবাজি ব্যবহার করা হয় এবং নববর্ষ উদযাপন করতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল বলে তারা জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ইতিহাসে সর্ববৃহৎ আতশবাজির মাধ্যমে ২০২৫ সালকে স্বাগত জানালো সিডনি

আপডেট সময় ১০:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ জানুয়ারী ২০২৫

রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে অগণিত আতশবাজির আলোয় সিডনির আকাশ উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে।

২০২৫ সালকে স্বাগত জানাতে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে একটি চমকপ্রদ এবং বিশাল আতশবাজি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল। ২০২৪ সালের শেষ দিনে নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে নানা আয়োজন করে প্রতিটি দেশ। তবে এর মধ্যে আলাদা করে বিশ্বের নজর কেড়েছে অস্ট্রেলিয়ার সিডনি শহরের খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদযাপন। ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এ খবর জানিয়েছে।

ঘড়ির কাটায় রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে সিডনি শহর ইতিহাসে সর্বকালের সর্ববৃহৎ আতশবাজি প্রদর্শনীর মাধ্যমে নববর্ষ উদযাপন করে। এসময় সিডনি হারবার ব্রিজ এবং অপেরা হাউসের কালো আকাশ অগণিত আতশবাজির আলোয় উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে। এই দৃষ্টিনন্দন সময় উপভোগ করতে সারা দিনভর সিডনি অপেরা হাউসের আশপাশে জমায়েত হয় হাজার হাজার মানুষ।

প্রদর্শন করা হয় দুটি আতশবাজি শো। একটি মঙ্গলবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৯টায় এবং মধ্যরাত ১২টায় অর্থাৎ বুধবার (১ জানুয়ারি)।

প্রতি বছরের মতো এবারও মূল অনুষ্ঠান শুরু হওয়ার তিন ঘণ্টা আগেই রাত ৯টায় সিডনির অপেরা হাউস এবং সিডনি হারবার ব্রিজে একটি “ফ্যামিলি ফায়ারওয়ার্কস” প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর মধ্যরাতের আগের কয়েক মিনিট সিডনি হারবার ব্রিজে একটি কাউন্টডাউন ঘড়ি প্রদর্শন করা হয়। হাজার হাজার মানুষ সেখানে বছরের শেষ ১০ সেকেন্ড শেষ হওয়ার অপেক্ষা করেন। রাত ১২টা বাজার সঙ্গে সঙ্গে শহরজুড়ে গান বাজতে শুরু করে এবং অগণিত আতশবাজির আলোয় আকাশ আলোকিত হয়ে ওঠে।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, মধ্যরাতে শুরু হওয়া এই আতশবাজি উৎসবে ৪০ হাজার ইফেক্ট দেখানো হয় এবং এ বছর মোট ২৬৪টি ফায়ারিং লোকেশন থেকে আতশবাজি প্রক্ষেপণ করে সিডনি হারবার ব্রিজকে আলোকিত করা হয়। গত বছর এর পরিমাণ ছিল ১৮৪টি।

এছাড়া, সিডনি হারবার ব্রিজ এবং সিডনি অপেরা হাউসের মধ্যে নতুন চারটি পাইরোটেকনিক প্ল্যাটফর্ম থেকে ফায়ারিং করা হয়।

এ বছর প্রথমবারের মতো সিডনি হারবার ব্রিজের পশ্চিম দিকে ৮০টি নতুন অবস্থান থেকে আতশবাজি প্রক্ষেপণ শুরু হয়। সিডনি অপেরা হাউস, বর্জ এবং শহরের পাঁচটি অট্টালিকার ছাদ থেকেও আতশবাজি নিক্ষেপ করা হয়।

এই আতশবাজি প্রদর্শনীতে প্রায় ১০ টন আতশবাজি ব্যবহার করা হয় এবং নববর্ষ উদযাপন করতে ১০ লাখেরও বেশি মানুষ উপস্থিত ছিল বলে তারা জানিয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন