ঢাকা ১২:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করা হয়। দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এ আবেদন করেন।

আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও চাওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থি।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

আপডেট সময় ১১:৪২:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান পদত্যাগ করেছেন। গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো তার পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে তার বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে অভিযোগ করা হয়। দুর্নীতি, অসদাচরণ ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ এনে শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম মজিবুল হক এ আবেদন করেন।

আবেদনে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলকে বিষয়টি তদন্তের অনুরোধ জানানো হয়। পাশাপাশি অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংবিধানের আওতায় যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশও চাওয়া হয়।

অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান ২০১০ ও ২০১১ সালের দুটি কোম্পানি মামলার কার্যধারায় পক্ষপাতদুষ্ট আচরণ করেছেন। এক মামলায় সংশ্লিষ্ট সিনিয়র আইনজীবী উপস্থিত না থাকলেও রায়ে তার নামে যুক্তিতর্ক উল্লেখ করা হয়, যা পরে আপিল বিভাগে বাতিল হয়। অন্য মামলায় আবেদনকারীর স্ত্রীকে পক্ষ না করেই তার ১৩ লাখ শেয়ার বাতিল করা হয়, যা আবেদনকারীর দৃষ্টিতে ন্যায়বিচারের নীতির পরিপন্থি।

নিউজটি শেয়ার করুন