ইউনিয়ন ব্যাংকের এমডি নিখোঁজ !
ইউনিয়ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরীর কোনো খোঁজ পাচ্ছে না ব্যাংকটির নব গঠিত পরিচালনা পরিষদ। বাংলাদেশ ব্যাংককে এ কথা জানিয়েছেন বেসরকারি ব্যাংকটির চেয়ারম্যান মো. ফরিদউদ্দীন আহমদ।
ব্যবসায়ী এস আলমের নিয়ন্ত্রণ মুক্ত করতে আগের বোর্ড ভেঙ্গে নতুন বোর্ড গঠনের পর থেকে ব্যাংকে যাচ্ছেন না এমডি মোকাম্মেল চৌধুরী। যোগাযোগের চেষ্টা করেও লাভ হয়নি। দেখা পাওয়া যায়নি বাসায় গিয়েও। এমনকি পূর্ব নির্ধারিত বোর্ড সভায়ও যোগ দেননি তিনি।
ব্যাংকিং খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংকে এমনতর অভিযোগের পর পরিচালনা পর্ষদকে এমডি নিখোঁজের ঘটনায় ইউনিয়ন ব্যাংককে থানায় সাধারণ ডায়েরি করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নতুন কাউকে ব্যাংকটির ভারপ্রাপ্ত এমডি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার জন্যও বলা হয়েছে। আমানতকারীদের স্বার্থে ব্যাংকটির পরিচালকদের সক্রিয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
পর্ষদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশ ব্যাংকেকে জানান হয়েছে, নতুন বোর্ড দায়িত্ব নিলেও ব্যাংকটির প্রকৃত অবস্থা সম্পর্কে এখনো জানা যায়নি।
আরও কয়েকটি ব্যাংকের মতো ইউনিয়ন ব্যাংকের মালিকানা ছিল বিতর্কিত ব্যবসায়ী গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের হাতে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, ব্যাংকটির ঋণের ১৮ হাজার কোটি টাকা বা ৬৪ শতাংশই নিয়েছে এস আলম গ্রুপের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
এ দিকে বুধবার সকালে এ বি এম মোকাম্মেল হক চৌধুরী ও তাঁর স্ত্রী নাজনীন আকতারের ব্যাংক হিসাবে লেনদেন স্থগিত করা হয়। সেই সঙ্গে তাঁদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবও স্থগিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আগামী ৩০ দিনের জন্য এই স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে।
দেশের সব ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কাছে হিসাব স্থগিতের নির্দেশনা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক গোয়েন্দা বিভাগ বাংলাদেশ ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর বেশ কয়েকটি ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। এরই ধারাবাহিকতায় ইউনিয়ন ব্যাংকের পর্ষদও ভেঙে দেওয়া হয়ে। ##


















