ঢাকা ০৩:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

ভোটের সামগ্রীর চাহিদা নিরূপণ ও মজুদ যাচাই হচ্ছে : ইসি সচিব

নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় কাগজ কেনাকেটা ও মুদ্রণ কাজ ভোটের আগের চার মাসের মধ্যে করার প্রস্তুতি রাখছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নানা ধরনের সামগ্রী মুদ্রণ করতে কী পরিমাণ কাগজ লাগবে, বাজেট কত হতে পারে এবং কেনাকাটা থেকে মুদ্রণে কত সময় লাগবে— এসব বিষয় নিয়ে আজ (মঙ্গলবার) প্রস্তুতিমূলক বৈঠক করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ। বৈঠক শেষে সচিব সংবাদ সম্মেলন করেন।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচন প্রস্তুতি যেন পিছিয়ে না থাকে সেজন্যে কাজগুলো গুছিয়ে রাখা হচ্ছে। মূলত পেপার প্রকিউরমেন্ট থেকে প্রিন্টিং পর্যন্ত সময়সীমা কতটুকু লাগে… উনারা বলেছেন যে, তিন মাস থেকে চার মাস সময় লাগে। যেভাবে ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন হবে সেভাবে (এগোবে)। নির্বাচনের তারিখ বা নির্বাচনের শিডিউল সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তটা হবে; তখন যেন আমাদের ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশনটা থাকে।

সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আসন্ন নির্বাচনে কাগজ কী পরিমাণ লাগে সে সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, এ সংক্রান্ত বাজেটের সংস্থানের ব্যাপার এবং আগের নির্বাচনের কিছু কাগজপত্র বিজি প্রেসে রয়েছে সেগুলোর গুণগত মান নষ্ট হয়ে থাকলে ডিসপোজালের ব্যবস্থা করা নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়েছে। আমরা একটি কমিটি করে দিয়েছি। তারা যাচাই-বাছাই করবে, যে কাগজ নষ্ট হয়ে গেছে, সেগুলো প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ডিসপোজ করা হবে। কাগজের পরিমাণ কতটুকু ও কতদিন টাইম লাগতে পারে, সে বিষয়ে নিজেদের প্রস্তুতি রাখার জন্য এ আলোচনা করা হয়েছে। চার মাসের ভেতরে আমরা সবগুলো প্রকিউরমেন্ট করতে পারবো।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনে ২১ প্রকার ফরম, ১৭ প্রকার প্যাকেট, ৫ প্রকার পরিচয়পত্র, আচরণবিধি, প্রতীকের পোস্টার, নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল, নির্দেশিকাসহ অনেক কিছু মুদ্রণ করতে হয়। ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন হলে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব মুদ্রণ করে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয় সভায়।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোটের সামগ্রীর চাহিদা নিরূপণ ও মজুদ যাচাই হচ্ছে : ইসি সচিব

আপডেট সময় ০৪:২৮:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৫

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রয়োজনীয় কাগজ কেনাকেটা ও মুদ্রণ কাজ ভোটের আগের চার মাসের মধ্যে করার প্রস্তুতি রাখছে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়।

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে নানা ধরনের সামগ্রী মুদ্রণ করতে কী পরিমাণ কাগজ লাগবে, বাজেট কত হতে পারে এবং কেনাকাটা থেকে মুদ্রণে কত সময় লাগবে— এসব বিষয় নিয়ে আজ (মঙ্গলবার) প্রস্তুতিমূলক বৈঠক করেছেন নির্বাচন কমিশন সচিব আখতার আহমেদ। বৈঠক শেষে সচিব সংবাদ সম্মেলন করেন।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ জানান, নির্বাচন প্রস্তুতি যেন পিছিয়ে না থাকে সেজন্যে কাজগুলো গুছিয়ে রাখা হচ্ছে। মূলত পেপার প্রকিউরমেন্ট থেকে প্রিন্টিং পর্যন্ত সময়সীমা কতটুকু লাগে… উনারা বলেছেন যে, তিন মাস থেকে চার মাস সময় লাগে। যেভাবে ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশন হবে সেভাবে (এগোবে)। নির্বাচনের তারিখ বা নির্বাচনের শিডিউল সম্পর্কে যে সিদ্ধান্তটা হবে; তখন যেন আমাদের ব্যাকওয়ার্ড ক্যালকুলেশনটা থাকে।

সচিব আখতার আহমেদ বলেন, আসন্ন নির্বাচনে কাগজ কী পরিমাণ লাগে সে সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, এ সংক্রান্ত বাজেটের সংস্থানের ব্যাপার এবং আগের নির্বাচনের কিছু কাগজপত্র বিজি প্রেসে রয়েছে সেগুলোর গুণগত মান নষ্ট হয়ে থাকলে ডিসপোজালের ব্যবস্থা করা নিয়ে সভায় আলোচনা করা হয়েছে। আমরা একটি কমিটি করে দিয়েছি। তারা যাচাই-বাছাই করবে, যে কাগজ নষ্ট হয়ে গেছে, সেগুলো প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ডিসপোজ করা হবে। কাগজের পরিমাণ কতটুকু ও কতদিন টাইম লাগতে পারে, সে বিষয়ে নিজেদের প্রস্তুতি রাখার জন্য এ আলোচনা করা হয়েছে। চার মাসের ভেতরে আমরা সবগুলো প্রকিউরমেন্ট করতে পারবো।

ইসি কর্মকর্তারা জানান, সংসদ নির্বাচনে ২১ প্রকার ফরম, ১৭ প্রকার প্যাকেট, ৫ প্রকার পরিচয়পত্র, আচরণবিধি, প্রতীকের পোস্টার, নির্বাচন পরিচালনা ম্যানুয়েল, প্রশিক্ষণ ম্যানুয়েল, নির্দেশিকাসহ অনেক কিছু মুদ্রণ করতে হয়। ডিসেম্বরে সংসদ নির্বাচন হলে সেপ্টেম্বরের মধ্যে এসব মুদ্রণ করে সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথাও তুলে ধরা হয় সভায়।

নিউজটি শেয়ার করুন