ঢাকা ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

সব ক্লিনিক পরিদর্শন করা হবে, অনিয়মে ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড এলাকার প্রতিটি ক্লিনিক আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো অনিয়মের সঙ্গে আপস করা হবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই কার্যক্রম চলবে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আমরা এখন ধরেছি আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড পর্যন্ত। এই এলাকায় যতগুলো ক্লিনিক আছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে সবগুলো আমরা পরিদর্শন করব। যেখানে যে অনিয়ম আছে, আমরা অ্যাকশনে যাব। আমাদের উদ্দেশ্য কিন্তু বন্ধ করে দেওয়া না বা কাউকে সাজা দেওয়া না– উন্নত সেবাটা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। জনগণ যাতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পায়, এটা নিশ্চিত করাই আমাদের পরিদর্শনের লক্ষ্য।’

অ্যাকশন বা ব্যবস্থার ধরন স্পষ্ট করে মন্ত্রী বলেন, যেখানে সেবার মান উন্নত করার সুযোগ আছে, সেখানে তা করা হবে। তবে গভীর অবহেলা দেখা গেলে অফিশিয়ালি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘পরিদর্শন শুরু হলে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো সাবধানতা অবলম্বন করবে। সিভিল সার্জন ও স্থানীয় ইউএইচএফপিওদের (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) মাধ্যমে দেশব্যাপী আমরা পরিদর্শন করব। শুধু ঢাকায় করলে হবে না; দেশের মানুষ তো বেশির ভাগ গ্রামে থাকে, তাদের জন্যও করতে হবে। এটা সাময়িক কোনো উদ্যোগ নয়, আমরা এই কার্যক্রম চালিয়ে যাব।’

কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে– এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রথমে নোটিশ দেওয়া হবে। যন্ত্রপাতির অভাব থাকলে সেগুলো সংগ্রহের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন (লাইসেন্স) পেতে ও নবায়ন করতে যেসব শর্ত পূরণ করা আবশ্যক, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলো হালনাগাদ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে।

অনিয়ম করে কেউ রক্ষা পাবে না জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্যসেবাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কারও ব্যক্তিগত সুবিধার কারণে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আমরা ক্লিনিক খোলা রাখব, এটা অসম্ভব। যেটা বলেছি, এটাই হবে। আমাদের কেউ কিনতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী এসব ব্যাপারে আমাদের একেবারে শূন্য সহিষ্ণু হতে বলেছেন এবং আমরা তা-ই করব।’

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সব ক্লিনিক পরিদর্শন করা হবে, অনিয়মে ছাড় নয়: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় ০১:৪৬:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড এলাকার প্রতিটি ক্লিনিক আগামী সাত দিনের মধ্যে পরিদর্শন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান। স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে এই কার্যক্রম চলমান থাকবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো অনিয়মের সঙ্গে আপস করা হবে না।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের এই কার্যক্রম চলবে। কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। আমরা এখন ধরেছি আসাদগেট থেকে শ্যামলী রিং রোড পর্যন্ত। এই এলাকায় যতগুলো ক্লিনিক আছে, আগামী সাত দিনের মধ্যে সবগুলো আমরা পরিদর্শন করব। যেখানে যে অনিয়ম আছে, আমরা অ্যাকশনে যাব। আমাদের উদ্দেশ্য কিন্তু বন্ধ করে দেওয়া না বা কাউকে সাজা দেওয়া না– উন্নত সেবাটা জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়া। জনগণ যাতে ভালো স্বাস্থ্যসেবা পায়, এটা নিশ্চিত করাই আমাদের পরিদর্শনের লক্ষ্য।’

অ্যাকশন বা ব্যবস্থার ধরন স্পষ্ট করে মন্ত্রী বলেন, যেখানে সেবার মান উন্নত করার সুযোগ আছে, সেখানে তা করা হবে। তবে গভীর অবহেলা দেখা গেলে অফিশিয়ালি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, ‘পরিদর্শন শুরু হলে বাকি প্রতিষ্ঠানগুলো সাবধানতা অবলম্বন করবে। সিভিল সার্জন ও স্থানীয় ইউএইচএফপিওদের (উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা) মাধ্যমে দেশব্যাপী আমরা পরিদর্শন করব। শুধু ঢাকায় করলে হবে না; দেশের মানুষ তো বেশির ভাগ গ্রামে থাকে, তাদের জন্যও করতে হবে। এটা সাময়িক কোনো উদ্যোগ নয়, আমরা এই কার্যক্রম চালিয়ে যাব।’

কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে– এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ত্রুটি সংশোধনের জন্য প্রথমে নোটিশ দেওয়া হবে। যন্ত্রপাতির অভাব থাকলে সেগুলো সংগ্রহের জন্য সময় বেঁধে দেওয়া হবে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় থেকে অনুমোদন (লাইসেন্স) পেতে ও নবায়ন করতে যেসব শর্ত পূরণ করা আবশ্যক, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সেগুলো হালনাগাদ করতে না পারলে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হবে।

অনিয়ম করে কেউ রক্ষা পাবে না জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের স্বাস্থ্যসেবাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে কারও ব্যক্তিগত সুবিধার কারণে দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে আমরা ক্লিনিক খোলা রাখব, এটা অসম্ভব। যেটা বলেছি, এটাই হবে। আমাদের কেউ কিনতে পারবে না। প্রধানমন্ত্রী এসব ব্যাপারে আমাদের একেবারে শূন্য সহিষ্ণু হতে বলেছেন এবং আমরা তা-ই করব।’

নিউজটি শেয়ার করুন