ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

ঢাকার যানজট নিরসনে এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর তাৎক্ষণিক ও সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক।

বৈঠক শেষে দুই প্রশাসক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ আগামী এক মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকার যানজট পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নিয়ে আসার চেষ্টা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তেমন নির্দেশনাই দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন’ বিষয়ক এক বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

সভা শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, স্বল্পমেয়াদি এবং পরবর্তী পর্যায়ে সময় নিয়ে কোন কাজগুলো করতে হবে, সভায় সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা সেগুলো করার চেষ্টা করবো।

যানজটের কারণে ঢাকার অচলাবস্থার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা শহরকে সচল করতে বারবার জোর দিচ্ছেন। এজন্য ট্রাফিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। সমস্যার সমাধান খোঁজা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও কিছু কিছু বিষয় বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনেরও কিছু বিষয় আছে। এসব নিয়েই আমরা আলোচনা করেছি।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে আমরা বিষয়গুলোর সমন্বয় করে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করব যেন কিছুটা হলেও যানজট কমিয়ে আনা যায়। আমরা ট্রাফিক সিস্টেমকে পুরোপুরি কার্যকর করতে চাই।

ডিএমপির ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় সমস্যা অটোরিকশা, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, অটোরিকশাচালকদের বিকল্প কাজের সংস্থান বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতে ধীরে ধীরে এগুলো শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসতে চাই। প্রয়োজনে অটোরিকশাচালকদের যে অ্যাসোসিয়েশন আছে তাদের সঙ্গে কথা বলবো।

এসময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আজ দীর্ঘ প্রায় তিন ঘণ্টা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মিটিং করেছি। বৈঠকে স্টেপ বাই স্টেপ কিছু পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের টাইমফ্রেম বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে আমরা লোকালি কিছু কাজ করবো। তার ভিত্তিতে কোন কাজ আগে করলে ট্রাফিক সমস্যা সমাধান সহজ হবে সেগুলো আগে করবো।

প্রধানমন্ত্রী কতদিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন—জানতে চাইলে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের লোকাল ওয়েতে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আগামী মাসের মধ্যে কাজের অগ্রগতি জানাবো। নির্দেশনা মোতাবেক সিটি করপোরেশন, রাজউক ও পুলিশ বিভাগের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেগুলো কার্যকর করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

ঢাকার যানজট নিরসনে এক মাসের মধ্যে দৃশ্যমান উন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেট সময় ১২:১৩:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর ক্রমবর্ধমান যানজট নিরসনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ বৈঠকের পর তাৎক্ষণিক ও সমন্বিত পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসক।

বৈঠক শেষে দুই প্রশাসক সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ আগামী এক মাসের মধ্যে ধাপে ধাপে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে ঢাকার যানজট পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি নিয়ে আসার চেষ্টা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী তেমন নির্দেশনাই দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত ‘ঢাকা শহরের যানজট নিরসন ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন’ বিষয়ক এক বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন, অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ, ফুটপাত দখলমুক্ত করা এবং স্থানীয় প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের বিষয়গুলো আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

সভা শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক আবদুস সালাম সাংবাদিকদের বলেন, স্বল্পমেয়াদি এবং পরবর্তী পর্যায়ে সময় নিয়ে কোন কাজগুলো করতে হবে, সভায় সেসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। তার ভিত্তিতেই সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে যতটুকু সম্ভব পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে আমরা সেগুলো করার চেষ্টা করবো।

যানজটের কারণে ঢাকার অচলাবস্থার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ঢাকা শহরকে সচল করতে বারবার জোর দিচ্ছেন। এজন্য ট্রাফিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করা হচ্ছে। সমস্যার সমাধান খোঁজা হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকেও কিছু কিছু বিষয় বলা হয়েছে। সিটি করপোরেশনেরও কিছু বিষয় আছে। এসব নিয়েই আমরা আলোচনা করেছি।

ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, আগামী এক মাসের মধ্যে আমরা বিষয়গুলোর সমন্বয় করে যতটুকু সম্ভব চেষ্টা করব যেন কিছুটা হলেও যানজট কমিয়ে আনা যায়। আমরা ট্রাফিক সিস্টেমকে পুরোপুরি কার্যকর করতে চাই।

ডিএমপির ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে বড় সমস্যা অটোরিকশা, এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না—জানতে চাইলে দক্ষিণ সিটির প্রশাসক বলেন, অটোরিকশাচালকদের বিকল্প কাজের সংস্থান বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনার ভিত্তিতে ধীরে ধীরে এগুলো শৃঙ্খলার মধ্যে নিয়ে আসতে চাই। প্রয়োজনে অটোরিকশাচালকদের যে অ্যাসোসিয়েশন আছে তাদের সঙ্গে কথা বলবো।

এসময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, আজ দীর্ঘ প্রায় তিন ঘণ্টা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে মিটিং করেছি। বৈঠকে স্টেপ বাই স্টেপ কিছু পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাদের টাইমফ্রেম বেঁধে দিয়েছেন। এর মধ্যে আমরা লোকালি কিছু কাজ করবো। তার ভিত্তিতে কোন কাজ আগে করলে ট্রাফিক সমস্যা সমাধান সহজ হবে সেগুলো আগে করবো।

প্রধানমন্ত্রী কতদিনের সময় বেঁধে দিয়েছেন—জানতে চাইলে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, আমরা এক সপ্তাহের মধ্যে আমাদের লোকাল ওয়েতে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে আগামী মাসের মধ্যে কাজের অগ্রগতি জানাবো। নির্দেশনা মোতাবেক সিটি করপোরেশন, রাজউক ও পুলিশ বিভাগের সঙ্গে বসে সিদ্ধান্ত নিয়ে সেগুলো কার্যকর করবো।

নিউজটি শেয়ার করুন