ঢাকা ০৬:৩৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

এনবিআরের কাছে ৬০ কোটি টাকার কর রিফান্ড চায় মেঘনা পেট্রোলিয়াম

নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত ৫ অর্থ বছরে পরিশোধিত ৬০ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকার কর রিফান্ড (ফেরত) দাবি করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চট্টগ্রামের কর অঞ্চল বরাবর পাঠানো চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হিসাব অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড বলছে, ফেরতযোগ্য মোট অতিরিক্ত পরিশোধিত করের পরিমাণ ৬০ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৩ টাকা। আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে দ্রুত প্রতিকার চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাদের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট ‘মার্জিন’ বা কমিশনের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে। কিন্তু কর কর্তৃপক্ষ তাদের আয়ের ওপর কর না ধরে পুরো বিক্রয়মূল্যের ওপর ০ দশমিক ৬ শূন্য শতাংশ হারে কর কেটে নিচ্ছে। প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে যেখানে প্রকৃত কর হওয়ার কথা ১৫ পয়সা, সেখানে এনবিআর কেটে নিচ্ছে ৬২ পয়সা। অর্থাৎ, প্রতি লিটারেই কোম্পানিটি ৪৭ পয়সা করে অতিরিক্ত কর দিয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, একইভাবে কেরোসিনে ৪৮ পয়সা, অকটেনে ৫৮ পয়সা এবং পেট্রোলে ৫৬ পয়সা করে বাড়তি কর কাটা হয়েছে। পাঁচ বছরের (২০২১-২০২২ থেকে ২০২৫-২০২৬ কর বর্ষ) হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য করের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৩ টাকা। এই বিশাল অংকের টাকা ফেরত না পাওয়ায় কোম্পানির স্বাভাবিক আর্থিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী মেঘনা পেট্রোলিয়াম একটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি হিসেবে ২০ শতাংশ হারে করপোরেট কর দেওয়ার যোগ্য। কিন্তু বিপণন মার্জিনের তুলনায় উৎসে কর কর্তনের হার অনেক বেশি হওয়ায় বছর শেষে কোম্পানিটি লাভের চেয়ে করই বেশি পরিশোধ করছে।

আমলাতান্ত্রিক ও আইনি জটিলতা নিরসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এনবিআরের কাছে ৬০ কোটি টাকার কর রিফান্ড চায় মেঘনা পেট্রোলিয়াম

আপডেট সময় ১২:১৮:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বিগত ৫ অর্থ বছরে পরিশোধিত ৬০ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার টাকার কর রিফান্ড (ফেরত) দাবি করেছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড। সম্প্রতি জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চট্টগ্রামের কর অঞ্চল বরাবর পাঠানো চিঠির সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

হিসাব অনুযায়ী রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণনকারী প্রতিষ্ঠান মেঘনা পেট্রোলিয়াম লিমিটেড বলছে, ফেরতযোগ্য মোট অতিরিক্ত পরিশোধিত করের পরিমাণ ৬০ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৩ টাকা। আর্থিক সংকটের কথা তুলে ধরে দ্রুত প্রতিকার চেয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তাদের পক্ষ থেকে পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকার নির্ধারিত একটি নির্দিষ্ট ‘মার্জিন’ বা কমিশনের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করে। কিন্তু কর কর্তৃপক্ষ তাদের আয়ের ওপর কর না ধরে পুরো বিক্রয়মূল্যের ওপর ০ দশমিক ৬ শূন্য শতাংশ হারে কর কেটে নিচ্ছে। প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে যেখানে প্রকৃত কর হওয়ার কথা ১৫ পয়সা, সেখানে এনবিআর কেটে নিচ্ছে ৬২ পয়সা। অর্থাৎ, প্রতি লিটারেই কোম্পানিটি ৪৭ পয়সা করে অতিরিক্ত কর দিয়েছে।

চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, একইভাবে কেরোসিনে ৪৮ পয়সা, অকটেনে ৫৮ পয়সা এবং পেট্রোলে ৫৬ পয়সা করে বাড়তি কর কাটা হয়েছে। পাঁচ বছরের (২০২১-২০২২ থেকে ২০২৫-২০২৬ কর বর্ষ) হিসাব বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, মেঘনা পেট্রোলিয়ামের রিফান্ড বা ফেরতযোগ্য করের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬০ কোটি ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩৭৩ টাকা। এই বিশাল অংকের টাকা ফেরত না পাওয়ায় কোম্পানির স্বাভাবিক আর্থিক প্রবাহ ব্যাহত হচ্ছে।

চিঠিতে আরও বলা হয়, আয়কর আইন ২০২৩ অনুযায়ী মেঘনা পেট্রোলিয়াম একটি পাবলিকলি ট্রেডেড কোম্পানি হিসেবে ২০ শতাংশ হারে করপোরেট কর দেওয়ার যোগ্য। কিন্তু বিপণন মার্জিনের তুলনায় উৎসে কর কর্তনের হার অনেক বেশি হওয়ায় বছর শেষে কোম্পানিটি লাভের চেয়ে করই বেশি পরিশোধ করছে।

আমলাতান্ত্রিক ও আইনি জটিলতা নিরসনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মধ্যে আন্তঃমন্ত্রণালয় সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার দাবি জানিয়েছে মেঘনা পেট্রোলিয়াম কর্তৃপক্ষ।

নিউজটি শেয়ার করুন