ঢাকা ০৪:৩১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

এনসিসি ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদ বাতিল

নিজস্ব প্রতিবেদক

আবদুল আউয়াল এবং আবুল বাশার

বেসরকারি খাতের এনসিসি ব্যাংকের পরিচালক পদ থেকে দুই জন ঋণ খেলাপিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিচালক পদ হারানো এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার ও পরিচালক আবদুল আউয়াল সম্পর্কে বাবা-ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি এনসিসি ব্যাংকে পাঠিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ১৭ ধারার আওতায় প্রদত্ত নোটিশের শর্ত অনুযায়ী নোটিশ গ্রহণের দুই মাসের মধ্যে মো. আবুল বাশার ও আবদুল আউয়াল নোটিশে উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ অক্টোবর থেকে এনসিসি ব্যাংকে তাঁদের পরিচালক পদ শূন্য হয়ে গেছে। নোটিশে উল্লেখিত ব্যাংক এশিয়ার পাওনা আদায়ে ব্যাংক–কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ১৭ (৫) ধারার বিধান কার্যকর হবে। ১৭ (৫) ধারা অনুযায়ী, এনসিসি ব্যাংকে থাকা তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে অন্য ব্যাংকের ঋণ শোধ করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপি হয়ে পরিচালক পদ হারানো এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার ও পরিচালক আবদুল আউয়াল সম্পর্কে বাবা-ছেলে। আবুল বাশার প্রাইম গ্রুপের ডিএমডি এবং তিন বছর ধরে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান। তাঁর বাবা আবদুল আউয়াল প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা যায়, আট ব্যাংক ও দুই আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁদের নেওয়া ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৭ ধারায় ইতিপূর্বে নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নোটিশ দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর তাঁদের পরিচালক পদ শূন্য হয়ে যাওয়াই নিয়ম।

জানা গেছে, মো. আবুল বাশার ও আবদুল আউয়ালের বাইরে এনসিসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেলা হোসাইন ও পরিচালক এ এস এম মঈনউদ্দীন মোনেমও ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছেন। চার পরিচালকের ঋণখেলাপি হয়ে পড়ায় এনসিসি ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার আবেদন নাকচ করে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে বিএসইসি এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তবে সম্প্রতি সোহেলা হোসাইনের ঋণ নিয়মিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

এনসিসি ব্যাংকের দুই পরিচালকের পদ বাতিল

আপডেট সময় ০৪:১৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৪

বেসরকারি খাতের এনসিসি ব্যাংকের পরিচালক পদ থেকে দুই জন ঋণ খেলাপিকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। পরিচালক পদ হারানো এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার ও পরিচালক আবদুল আউয়াল সম্পর্কে বাবা-ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) এ সংক্রান্ত একটি চিঠি এনসিসি ব্যাংকে পাঠিয়েছে আর্থিক খাতের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

চিঠিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, ব্যাংক-কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ১৭ ধারার আওতায় প্রদত্ত নোটিশের শর্ত অনুযায়ী নোটিশ গ্রহণের দুই মাসের মধ্যে মো. আবুল বাশার ও আবদুল আউয়াল নোটিশে উল্লেখিত অর্থ পরিশোধ করতে ব্যর্থ হয়েছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ১২ অক্টোবর থেকে এনসিসি ব্যাংকে তাঁদের পরিচালক পদ শূন্য হয়ে গেছে। নোটিশে উল্লেখিত ব্যাংক এশিয়ার পাওনা আদায়ে ব্যাংক–কোম্পানি আইন, ১৯৯১–এর ১৭ (৫) ধারার বিধান কার্যকর হবে। ১৭ (৫) ধারা অনুযায়ী, এনসিসি ব্যাংকে থাকা তাঁদের শেয়ার বিক্রি করে অন্য ব্যাংকের ঋণ শোধ করা যাবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঋণখেলাপি হয়ে পরিচালক পদ হারানো এনসিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান মো. আবুল বাশার ও পরিচালক আবদুল আউয়াল সম্পর্কে বাবা-ছেলে। আবুল বাশার প্রাইম গ্রুপের ডিএমডি এবং তিন বছর ধরে ব্যাংকটির চেয়ারম্যান। তাঁর বাবা আবদুল আউয়াল প্রাইম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা যায়, আট ব্যাংক ও দুই আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁদের নেওয়া ঋণের পরিমাণ ১ হাজার ৭২৫ কোটি টাকা। এর মধ্যে অগ্রণী ব্যাংক, ব্যাংক এশিয়া, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক, জনতা ব্যাংক ও প্রাইম ব্যাংকের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁদের ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১৭ ধারায় ইতিপূর্বে নোটিশ দেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। নোটিশ দেওয়ার নির্দিষ্ট সময় অতিবাহিত হওয়ার পর তাঁদের পরিচালক পদ শূন্য হয়ে যাওয়াই নিয়ম।

জানা গেছে, মো. আবুল বাশার ও আবদুল আউয়ালের বাইরে এনসিসি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান সোহেলা হোসাইন ও পরিচালক এ এস এম মঈনউদ্দীন মোনেমও ঋণখেলাপি হয়ে পড়েছেন। চার পরিচালকের ঋণখেলাপি হয়ে পড়ায় এনসিসি ব্যাংকের ৫০০ কোটি টাকার বন্ড ছাড়ার আবেদন নাকচ করে দিয়েছে পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্যের ভিত্তিতে বিএসইসি এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে। তবে সম্প্রতি সোহেলা হোসাইনের ঋণ নিয়মিত করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন