ঢাকা ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

সর্বনিম্ন ৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

জেলা প্রতিনিধি


চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীত জেঁকে বসেছে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সর্বনিম্ন ৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

তিনি জানান, হাড় কাঁপানো বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে শুরু করেছে। সন্ধ্যার পর থেকে শীতল বাতাস বইছে। রাতের তাপমাত্রাও হ্রাস পাচ্ছে।

এদিকে শীত উপেক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ঘরের বাইরে আসতে হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে। হাটবাজারের শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিকদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কাজের সন্ধানে শহরে এসে অনেকে কাজ পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।

জেলা সদরের সরোজগঞ্জের দিনমজুর সোহাগ মিয়া বলেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের জন্য চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হয়। এত শীতে সাইকেল চালিয়ে শহরে পৌঁছানো কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। হাত অবশ হয়ে পড়ে। শীতে কাজও তেমন একটা নেই। মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সেজন্য কাজও পাচ্ছি না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে কাজ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ট্রাকচালক জাকির হোসেন জানান, এ এলাকায় চরম শীত পড়েছে। কুয়াশাও রয়েছে আকাশে। কুয়াশার কারণে গাড়ি চালানো কষ্ট হয়ে পড়েছে। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী রানা মিয়া বলেন, শীতের জন্য মানুষ কম চলাচল করছে। হোটেল খোলা থাকলেও বিক্রি নেই। যাদের প্রয়োজন তারাই বাজারে আসছেন। শীতের তীব্রতা অনেক বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সর্বনিম্ন ৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

আপডেট সময় ০১:১৮:০৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জানুয়ারী ২০২৫


চুয়াডাঙ্গার ওপর দিয়ে বয়ে যাচ্ছে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ। উত্তরের হিমেল বাতাসের কারণে শীত জেঁকে বসেছে। বৃহস্পতিবার (২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা চুয়াডাঙ্গায় রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

একদিনের ব্যবধানে তাপমাত্রা কমেছে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাতাসে আদ্রতার পরিমাণ ৯৫ শতাংশ।

চুয়াডাঙ্গা প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের সিনিয়র পর্যবেক্ষক রকিবুল হাসান জানান, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৯ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

সর্বনিম্ন ৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রায় কাঁপছে চুয়াডাঙ্গা

তিনি জানান, হাড় কাঁপানো বাতাস ও ঘন কুয়াশার কারণে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। তাপমাত্রা আরও হ্রাস পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইতে শুরু করেছে। সন্ধ্যার পর থেকে শীতল বাতাস বইছে। রাতের তাপমাত্রাও হ্রাস পাচ্ছে।

এদিকে শীত উপেক্ষা করে প্রয়োজনীয় কাজের জন্য ঘরের বাইরে আসতে হচ্ছে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে। হাটবাজারের শ্রমিক ও কৃষি শ্রমিকদের বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। কাজের সন্ধানে শহরে এসে অনেকে কাজ পাচ্ছেন না বলে জানিয়েছেন।

জেলা সদরের সরোজগঞ্জের দিনমজুর সোহাগ মিয়া বলেন, ভোরে ঘুম থেকে উঠে কাজের জন্য চুয়াডাঙ্গা শহরে আসতে হয়। এত শীতে সাইকেল চালিয়ে শহরে পৌঁছানো কষ্টের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। হাত অবশ হয়ে পড়ে। শীতে কাজও তেমন একটা নেই। মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছে না। সেজন্য কাজও পাচ্ছি না। দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করে কাজ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরতে হচ্ছে।

নারায়ণগঞ্জ থেকে আসা ট্রাকচালক জাকির হোসেন জানান, এ এলাকায় চরম শীত পড়েছে। কুয়াশাও রয়েছে আকাশে। কুয়াশার কারণে গাড়ি চালানো কষ্ট হয়ে পড়েছে। হেডলাইট জ্বালিয়ে চলতে হচ্ছে।

চুয়াডাঙ্গা বড়বাজারের হোটেল ব্যবসায়ী রানা মিয়া বলেন, শীতের জন্য মানুষ কম চলাচল করছে। হোটেল খোলা থাকলেও বিক্রি নেই। যাদের প্রয়োজন তারাই বাজারে আসছেন। শীতের তীব্রতা অনেক বেশি।

নিউজটি শেয়ার করুন