ঢাকা ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
সর্বশেষ:
একক গ্রাহক ঋণসীমার শর্ত শিথিল করল কেন্দ্রীয় ব্যাংক আরও ৪ কোটি ডলার কিনলো বাংলাদেশ ব্যাংক কোম্পানি করদাতার আয়কর রিটার্ন দাখিলের সময় বাড়ল ২ দিন শ্রমিক কল্যাণ তহবিলে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা দিলো পদ্মা অয়েল বাংলাদেশ হবে বিনিয়োগের অন্যতম গন্তব্য: প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ একনেকে ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি টাকার ৯ প্রকল্প অনুমোদন ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড সভা অনুষ্ঠিত ফরচুন সুজের চেয়ারম্যানসহ কর্মকর্তাদের ৭ কোটি ২০ লাখ টাকা জরিমানা পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের খরচে কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্মকর্তাদের বিদেশ সফরে নিষেধাজ্ঞা

সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, ধৈর্য ধরুন: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সঙ্গে করা নির্বাচন পূর্ব অঙ্গীকার পূরণ করবার পথে চলছে। আল্লাহতালার কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। ফ্যামিলি কার্ড হচ্ছে  শক্তি। এই কার্ডটা আপনাকে সেই ক্ষমতা দেবে যে ক্ষমতা দিয়ে আপনারা সবার সামনে দাঁড়াতে পারবেন। শুধুমাত্র আর্থিক ও অন্যান্য সুযোগ পাবেন তা না, আপনি এ দেশের একজন নারী হিসেবে, পরিবারের প্রধান হিসেবে আপনার অবস্থান থেকে দৃঢ় থাকতে পারবেন। পুরুষেরা অনেক সময় মা-বোনদের বুঝতেই চায় না। যখনই কার্ড আর অর্থ আসবে, তখনই বুঝতে শুরু করবে। এটাই হলো আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, সারাদেশের মধ্যেই মাত্র ১৪টি ইউনিয়নে আমরা প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যকর্ম শুরু করেছি। তবে মা-বোনেরা সবাই   ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এমনকি জেলা প্রশাসক (ডিসি) তিনিও পাবেন যেহেতু তিনি নারী। এই কার্ড প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম এটাই আমার শেষ নির্বাচন এবং আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের এই ঋণ শোধ করার ভাষা আমার জানা নেই। আপনাদের সমস্যা সমাধান করে আমি এই ঋণ শোধ করতে চাই। আপনারা জানেন এরই মধ্যে একটি মেডিকেল টিম এসেছিল। ইনশাল্লাহ আগামী অর্থবছরে মেডিকেলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হবে। আমাদের ইউনিভার্সিটির আইন হয়ে গেছে, এখন শুধু  ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ করে জায়গা নির্ধারণ করে সেটাও চালু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং এয়ারপোর্টও চালু হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করেছি। এই অঞ্চলে কৃষক বেশি। এখানে কৃষি-কাজ বেশি হয়। অন্য কোনো কাজ তেমন নেই, কলকারখানা নেই। কৃষিই একমাত্র মূল চাকা। তাই আমাদের কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে এলাকার কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আরেকটা কথা বলেছিলাম, সেটা হলো আমাদের শিক্ষিত ছেলে-মেয়ের আইটি ট্রেনিং দিতে চাই। যাতে তারা ঘরে বসে মাসে ২/৩ লাখ টাকা আয় করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মাদক। আমাদের যুবক ছেলেরা মাদকের ঝুকে যাচ্ছে। ভুল পথে চলে যাচ্ছে। এজন্য শুধু পুলিশ-প্রশাসন নয় আপনাদেরকেও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মা-বাবাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সবাইকে মাদককে না বলি।

মহাসচিব বলেন, আমার শেষ কথা। আপনারা হতাশ হবেন না। সে কার্ড পেল, আমি কেন পেলাম না- এটা ভাববেন না। আপনারা সবাই পাবেন, শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আপনারা এটুকু বিশ্বাস করেন আমাদের আর অন্য কোনো ইস্যু নেই। অন্যদের মতো ঢাকায় বাড়ি, এমনকি বিদেশে গিয়েও বাড়ি-গাড়ি করব না। যতদিন আছি শুধু জনগণের কাজ করে যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন
ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

সবাই ফ্যামিলি কার্ড পাবেন, ধৈর্য ধরুন: মির্জা ফখরুল

আপডেট সময় ০১:২৮:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জনগণের সঙ্গে করা নির্বাচন পূর্ব অঙ্গীকার পূরণ করবার পথে চলছে। আল্লাহতালার কাছে আমরা শুকরিয়া আদায় করছি। আমরা আমাদের কথা রেখেছি। ফ্যামিলি কার্ড হচ্ছে  শক্তি। এই কার্ডটা আপনাকে সেই ক্ষমতা দেবে যে ক্ষমতা দিয়ে আপনারা সবার সামনে দাঁড়াতে পারবেন। শুধুমাত্র আর্থিক ও অন্যান্য সুযোগ পাবেন তা না, আপনি এ দেশের একজন নারী হিসেবে, পরিবারের প্রধান হিসেবে আপনার অবস্থান থেকে দৃঢ় থাকতে পারবেন। পুরুষেরা অনেক সময় মা-বোনদের বুঝতেই চায় না। যখনই কার্ড আর অর্থ আসবে, তখনই বুঝতে শুরু করবে। এটাই হলো আমাদের চেয়ারম্যান সাহেবের মূল লক্ষ্য।

তিনি বলেন, সারাদেশের মধ্যেই মাত্র ১৪টি ইউনিয়নে আমরা প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কার্যকর্ম শুরু করেছি। তবে মা-বোনেরা সবাই   ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। এমনকি জেলা প্রশাসক (ডিসি) তিনিও পাবেন যেহেতু তিনি নারী। এই কার্ড প্রত্যেক ঘরে ঘরে যাবে শুধুমাত্র সময়ের ব্যাপার।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বেলা ১১টায় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার রহিমানপুর ইউনিয়নের সম্মিলিত ঈদগাহ আলিম মাদরাসা মাঠে এসব কথা বলেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, আমি আপনাদের বলেছিলাম এটাই আমার শেষ নির্বাচন এবং আপনারা আমাকে নির্বাচিত করেছেন। আপনাদের এই ঋণ শোধ করার ভাষা আমার জানা নেই। আপনাদের সমস্যা সমাধান করে আমি এই ঋণ শোধ করতে চাই। আপনারা জানেন এরই মধ্যে একটি মেডিকেল টিম এসেছিল। ইনশাল্লাহ আগামী অর্থবছরে মেডিকেলে ছাত্র-ছাত্রী ভর্তি শুরু হবে। আমাদের ইউনিভার্সিটির আইন হয়ে গেছে, এখন শুধু  ভাইস চ্যান্সেলর নিয়োগ করে জায়গা নির্ধারণ করে সেটাও চালু হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ এবং এয়ারপোর্টও চালু হবে।

মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা আলোচনা করেছি। এই অঞ্চলে কৃষক বেশি। এখানে কৃষি-কাজ বেশি হয়। অন্য কোনো কাজ তেমন নেই, কলকারখানা নেই। কৃষিই একমাত্র মূল চাকা। তাই আমাদের কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তুলে এলাকার কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। আমি আরেকটা কথা বলেছিলাম, সেটা হলো আমাদের শিক্ষিত ছেলে-মেয়ের আইটি ট্রেনিং দিতে চাই। যাতে তারা ঘরে বসে মাসে ২/৩ লাখ টাকা আয় করতে পারে।

তিনি আরও বলেন, সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো মাদক। আমাদের যুবক ছেলেরা মাদকের ঝুকে যাচ্ছে। ভুল পথে চলে যাচ্ছে। এজন্য শুধু পুলিশ-প্রশাসন নয় আপনাদেরকেও সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। মা-বাবাদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। আমরা সবাইকে মাদককে না বলি।

মহাসচিব বলেন, আমার শেষ কথা। আপনারা হতাশ হবেন না। সে কার্ড পেল, আমি কেন পেলাম না- এটা ভাববেন না। আপনারা সবাই পাবেন, শুধু একটু ধৈর্য ধরতে হবে। আপনারা এটুকু বিশ্বাস করেন আমাদের আর অন্য কোনো ইস্যু নেই। অন্যদের মতো ঢাকায় বাড়ি, এমনকি বিদেশে গিয়েও বাড়ি-গাড়ি করব না। যতদিন আছি শুধু জনগণের কাজ করে যাব।

নিউজটি শেয়ার করুন