লুটেরাদের ফেরার সুযোগে আতঙ্কে ব্যাংকের উদ্যোক্তারা: বিএবি
ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে নতুন ধারা যুক্ত করে লুটেরাদের ফেরার সুযোগের আতঙ্কে পড়েছেন ব্যাংকের উদ্যোক্তারা। আজ সোমবার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সঙঙ্গে দেখা করে এ উদ্বেগের কথা জানিয়েছে ব্যাংকের উদ্যোক্তাদের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকসহ (বিএবি)। প্রায় আড়াই ঘণ্টা বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন বিএবি ও ঢাকা ব্যাংকের চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার।
বৈঠকে হা-মীম গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি ও শাহজালাল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালক এ. কে. আজাদ, পূবালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান মনজুরুর রহমান, বিএবির ভাইস চেয়ারম্যান ও ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের চেয়ারম্যান শরীফ জহির, ব্যাংক এশিয়ার চেয়ারম্যান রোমো রউফ চৌধুরীসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।
আব্দুল হাই সরকার বলেন, ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের ১৮ক ধারা যুক্ত করে আগের মালিকদের ফেরার সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে আমরা আতঙ্কিত। লুটেরারা ফেরার সুযোগ পেলে ব্যাংক খাতে আবার বিশৃঙ্খল হবে। অবশ্য গর্ভনর তাদের আশ্বস্ত করেছেন- যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তাতে আগের মালিকরা ফেরার সুযোগ পাবে না। এছাড়া পাঁচ ব্যাংকের একীভূত কার্যক্রম চলমান থাকবে। এখান থেকে ফেরার কোনো সুযোগ নেই। এতে তারা আশ্বস্ত হয়েছেন।
আব্দুল হাই সরকার জানান, বন্ধ কারখানা সচল করতে নতুন তহবিল গঠন নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো চলতি মূলধন সহায়তা দেবে। তবে কেন কারখানা বন্ধ হয়েছে তা বিবেচনায় নেবে।



















